


টোকিও, ২০ সেপ্টেম্বর: আজ বরিবারে জমজমাট সকাল। এদিন এশিয়ান গেমসের মঞ্চে উত্তেজনাপূর্ব টি২০ ক্রিকেট ম্যচ। মহিলা ক্রিকেটের সেমিফাইনালের এই মহারণে মুখোমুখি হয় ভারত ও বাংলাদেশ। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছিল দুই দল। ফলে নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্ক স্টেডিয়ামে ছিল টানটান উত্তেজনা। আজ টসে জিতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। দলের দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে মাঠে নামেন স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা জুটি। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন এই দুই ব্যটার। রানের জন্য মরিয়া হয়ে ব্যাটিং করছিল এই জুটি। কিন্তু বাংলাদেশি বোলিংয়ের কাছে পরাস্থ হতে হয় স্মৃতিকে। পঞ্চম ওভারে প্রথম ধাক্কা খায় ভারত। রান তখন ৭২। ৩৭ রান করে ফিরে যান স্মৃতি। এরপর মাঠে আসে কমলিনী। কিন্তু লাভের লাভ হল না কিছুই। মাত্র ৩ রান করেই আউট হয়ে ফিরে যেতে হয় তাঁকেও। অপরদিকে বিধ্বংসী ব্যাটিং করে হাফসেঞ্চুরি করেন শেফালি ভার্মা। পরপর দুইটি উইকেট পরে যাওয়ার পর ম্যচের হাল ধরতে মাঠে নামে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। এরপর হরমনপ্রীত এবং শেফালির জুটি আক্রমণাত্মক খেলায় ভারতের রানের গতি অনেকটা বেড়ে ওঠে। পাশাপাশি একটা সুন্দর পার্টনারশিপ তৈরী করে এই দুই ব্যাটার। অবশেষে ৫৪ রানের এই পার্টনারশিপ ভাঙতে সক্ষম হয় বাংলাদেশের বোলাররা। ৪০ রান করে ফিরে যেতে হয় অধিনায়ক হরমণপ্রীতকে। কিন্তু উইকেট একের পর এক পড়লেও থেমে থাকেনি শেফালি ভার্মা। দুরুন্ত ব্যাটিং করে মাত্র ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করেন শেফালি। শেষ পর্যন্ত চার উইকেট খুঁইয়ে ১৯৫ রান করে ভারত।
জবাবে ১৯৬ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে মাঠে নামে আকতার ও ফিরদৌস। প্রথম থেকেই রানের জন্য মরিয়া ওঠে এই দুই ব্যাটার। কিন্তু ভারতীয় বোলারদের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে শুরুতেই পরাস্ত হন বাংলাদেশি ব্যাটার। দুই নম্বর ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ০ রান করেই ফিরে যেতে হয় ফিরদৌসকে। এরপর একের পর এক উইকেট পড়ায় জয়ের লক্ষ্যে যাওয়ার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। অবশেষে ৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় তাঁরা। ১১৪ রানে জয় ছিনিয়ে ফাইনালের টিকিট নিজেদের করে নিল ভারত।