


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গত দু’ বছরে বাংলার ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ৩৯৭ জন গরিব শ্রমিক কাজ চেয়ে নাম নথিভূক্ত করলেও টাকা দিচ্ছে না মোদি সরকার। শুক্রবার রাজ্যসভায় কেরলের সিপিএম সাংসদ ভি শিবদাসনের এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান লিখিতভাবে যা জানিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে বাংলায় ২০২২-২৪, দুই অর্থবর্ষে চার লক্ষেরও অধিক শ্রমিক কাজ চেয়ে নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু এই অর্থবর্ষেই পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের মজুরি হিসেবে কিছুই দেওয়া হয়নি। তার আগে ২০২১-২২ বর্ষে দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা। হিসেবের গোলমালের জেরে বাংলায় ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী।
অন্যদিকে, ‘ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইনে’র (ডিপিডিপি) ৪৪ (৩) ধারা বাতিলের দাবিতে সংসদে সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শুক্রবার লোকসভার ‘জিরো আওয়ারে’ তিনি বলেন, এই আইন আদতে তথ্য জানার আইনের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। ডিপিডিপি আইন এমনই যে, সেখানে তথ্য জানার আইনের জবাব পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এমনকী তথ্য জানতে চাইলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে ২৫০-৫০০ কোটি টাকা জরিমানাও হতে পারে। তাই আমার আবেদন, ২০২৩ সালের ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইনের যেহেতু এখনও রুল তৈরি হয়নি, তাই ৪৪ (৩) ধারা বাতিল করা হোক।
অন্যদিকে, শুক্রবার ‘জিরো আওয়ারে’ বিভিন্ন ট্রেনের ঝাড়গ্রাম ছুঁয়ে যাওয়ার দাবি তোলেন তৃণমূল সাংসদ কালীপদ সোরেন। তিনি বলেন, ঝাড়গ্রাম স্টেশনকে ঝাঁ চকচকে অমৃত ভারত স্টেশনে রূপান্তর করার জন্য রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। তবে বেশি ট্রেন যাতে ঝাড়গ্রাম ছুঁয়ে যায়, তার দাবি করছি। রাঁচি-হাওড়া বন্দেভারত এবং ভুবনেশ্বর-নিউদিল্লি তেজস রাজধানী এক্সপ্রেসের ঝাড়গ্রামে স্টপেজ দেওয়া হোক।