


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ইস্যু উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। আর সেই কারণেই সম্ভবত আরও পিছিয়ে যাচ্ছে সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপির সাংগঠনিক নির্বাচন। এমনকী, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পরেও জগৎপ্রকাশ নাড্ডার উত্তরসূরি বাছাই নাও করতে পারে বিজেপি। বিজেপির শীর্ষ সূত্রে খবর, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে থেকে যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডা। গোটা বিষয়কে অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল।
বিজেপির নিয়ম অনুযায়ী, দেশের অন্তত অর্ধেক রাজ্যে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে সর্বভারতীয় স্তরে তা করা যায় না। বর্তমানে রাজ্যে রাজ্যে সেই প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। প্রাথমিকভাবে গেরুয়া শিবির স্থির করেছিল, ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে নাড্ডার উত্তরসূরি বেছে নেওয়া হবে। কিন্তু সেই ‘টার্গেট’ পূরণ করা যায়নি। পরিবর্তে বিহার ভোটের অব্যবহিত পরে সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপির সাংগঠনিক নির্বাচনের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছিল। এরই মধ্যে উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দেন জগদীপ ধনকার। ফলে এই মুহূর্তে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে। তাই সবকিছু মিটে যাওয়ার পর, চলতি বছরের শেষে কেন্দ্রীয় স্তরে দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারে বিজেপি। তবে এক্ষেত্রেও কিছু বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আগামী বছরের শুরু থেকেই বাংলা, কেরল, তামিলনাড়ুর মতো একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে যাবে। সেই সময় সর্বভারতীয় স্তরে পরিবর্তন ভোট প্রস্তুতিতে সমস্যা তৈরি করবে না তো? প্রশ্ন থাকছেই।