


সংবাদদাতা, কাটোয়া: বাংলায় কি আবার জঙ্গি হানার আশঙ্কা? আজ, মঙ্গলবার সাতসকালে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর তল্লাশি চলল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়। সূত্রের খবর, আজ বাংলাদেশী জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন-এর সঙ্গে যোগ সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে। অসমে দায়ের হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে আজ সকালে ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব বর্ধমান এবং দক্ষিণ দিনাজপুর সহ বাংলার মোট ৫টি এলাকায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।
আজ, পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট এলাকার পালিশগ্রামেও হানা দেয় এনআইএ। সেখানে একটি মসজিদ চত্বর থেকে পিয়ার মহম্মদ নামক এক ব্যক্তিকে পাকড়াও করে তাঁরা। গুয়াহাটির একটি মামলার সঙ্গে পিয়ার মহম্মদের যোগসূত্র পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। পিয়ারের বাড়ি মন্তেশ্বরের কুলুট গ্রামে। চার মাস ধরে পালিশগ্রামের একটি মসজিদে ইমাম পদে কাজ করত সে। তল্লাশিতে পিয়ারের কাছ থেকে মোবাইল, পাসপোর্ট ও একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই ডায়েরিতে একাধিক বাংলাদেশী নম্বর পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদিন-এর সঙ্গে যোগসাজেশ থাকতে পারে পিয়ারের। কারণ সে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে গিয়েছে এবং সেখানে টানা ৪০ দিন ছিল। সেখানে সে কি করত? কার সঙ্গে দেখা করত? সব খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম ও কেরলের বিভিন্ন এলাকাতেও তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ আধিকারিকরা। আরও কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ওপার বাংলার ওই জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য যোগাযোগ রয়েছে কিনা সেই খোঁজেও তল্লাশি চালাচ্ছে তদন্তকারীরা। শুধু কি পশ্চিমবঙ্গ নাকি গোটা ভারতবর্ষে তাদের জঙ্গি হানার পরিকল্পনা ছিল তাদের সেই সব বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে এনআইএ।