


লখনউ, ৩০ অক্টোবর: কলেজে পড়তে গিয়েছিল বছর আঠেরোর এক ছাত্রী। কিন্তু এই পরিণতি হবে সেটা ভাবতে পারেনি তাঁর পরিবার। পুলিশ উত্তরপ্রদেশের মৌদা কানেটা গ্রাম থেকে ওই ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতের নাম প্রীতি। সে ফিরোজাবাদ নার্সিং অফ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। প্রীতি মইনপুরের বাসিন্দা। তাঁর পরিবার অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলার সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়ার পর তাঁরা অবরোধ তুলে নেয়। এই রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
সার্কেল অফিসার জানান, এদিন সকালে তাঁর হোস্টেলের রুমমেটরা প্রীতিকে ব্রেকফাস্টের জন্য ডাকতে আসে। কিন্তু তাঁকে কেউ দেখতে পায় না। পুলিশ পরে হোস্টেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। তাতে ধরা পড়ে, রাত আড়াইটে নাগাদ প্রীতি দেওয়াল টপকে কলেজ ছেড়ে পালাচ্ছিল। পুলিশের কাছে খবর আসে মৌদা কানেটা গ্রামে একটা মৃতদেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ সেটি প্রীতির মৃতদেহ বলে শনাক্ত করে।
প্রীতির ভাই রোহিতের অভিযোগ, কলেজের অধ্যক্ষ সুরেশ দক্ষ এবং তার ছেলে যশ প্রীতিকে হত্যা করে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩ (১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।