


নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর থেকেই আকাশে ভাসছে যুদ্ধ যুদ্ধ গন্ধ। যুদ্ধের সময় ঠিক কী করা উচিত? এবিষয়ে সাধারণ নাগরিকদের সচেতন করতে আজ দেশজুড়ে পালিত হতে চলেছে অসামরিক মহড়া। ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের পর এই প্রথম। হিসেব বলছে, দেশে মোট ২৪৪টি ‘সিভিল ডিফেন্স ডিস্ট্রিক্ট’ রয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি অঞ্চলকে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকা। সব জায়গায় এই মহড়া পালন করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্র।
রাজ্যগুলিকে দেওয়া নির্দেশে বলা হয়েছে, মূলত বিমান হামলার ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সেবিষয়ে সচেতন করতে হবে। ঠিক কী করতে হবে? খতিয়ে দেখে নিতে হবে, সতর্কতামূলক সাইরেন ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে কি না। সঙ্গে চলবে ‘ক্র্যাশ ব্ল্যাকআউট’-এর মহড়া। রাতে বিমান হামলার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। শত্রুপক্ষের বিমানকে বিভ্রান্ত করতে হঠাৎ করে সব আলো নিভিয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে তেলের ডিপো, রেলস্টেশন, সেতু সহ গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ঢেকে বা লুকিয়ে ফেলার যাবতীয় পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হবে।
এছাড়া অসামরিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় প্রোটোকল সম্পর্কে আম জনতা ও পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। চলবে অনুশীলন। যুদ্ধের সময় বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার মহড়া চলবে। সূত্রের খবর, বাড়িতে টর্চ, মেডিক্যাল কিট, মোমবাতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে মোবাইল বা ইন্টারনেট ব্যবস্থার অভাবে সুবিধার জন্য নগদ মজুত করার বিষয়টিও বোঝানো হবে। খতিয়ে দেখা হবে ভারতীয় বায়ুসেনা ঘাঁটির সঙ্গে থাকা যাবতীয় হটলাইন ও রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা।