


পাটনা: রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। এজন্য বিধায়ক পদে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। যার জেরে প্রথমবারের মতো বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি বিজেপির দখলে আসতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে নীতীশের দল জেডিইউ-র অন্দরে তীব্র ক্ষোভ দানা বেঁধেছে বলে খবর। এর মধ্যেই এবার ৪ কংগ্রেস বিধায়কের দলবদলের জল্পনা। তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলে জেডিইউ-র সমর্থন ছাড়াই ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলতে পারে বিজেপি। হিসাবনিকাশ অনুযায়ী অন্যান্য শরিক দলগুলিকে মিলিয়ে সেক্ষেত্রে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র ১ আসন দূরে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। ফলে বিহার রাজনীতিতে আরও কোণঠাসা হয়ে পড়তে পারে নীতীশের দল।
জানা যাচ্ছে, রাজ্যসভা ভোটে কংগ্রেসের ৬ বিধায়কের ৩ জনই ভোট দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীদের। সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন আরও এক কংগ্রেস বিধায়ক। এমনকি ভোটের দিন উপস্থিতই ছিলেন না কংগ্রেসের বিধায়ক দলের নেতা ও চিফ হুইপ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হাত শিবিরে ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এই মুহূর্তে বিহারে বিজেপির বিধায়ক ৮৯। এনডিএ জোটের অন্য শরিকদের ২৮ বিধায়কও তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। ফলে, নীতীশের দল জেডিইউ ছাড়া এই মুহূর্তে বিহার বিধানসভায় বিজেপি জোট দাঁড়িয়ে আছে ম্যাজিক ফিগার থেকে মাত্র ৫ আসন দূরে। ওই চার কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিলে সেই দূরত্ব আরও কমবে। যদিও জাতীয় রাজনীতিতে ক্ষমতা ধরে রাখতে নীতীশের দলের সঙ্গে জোট রাখতেই হবে বিজেপিকে। বলাই বাহুল্য, জেডিইউ-র ১২ সাংসদের সমর্থন নরেন্দ্র মোদির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।