


নয়াদিল্লি: সোহরাবুদ্দিন শেখ ‘ভুয়ো’ এনকাউন্টার মামলায় ২২ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করেছিল বম্বে হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সোহরাবুদ্দিনের ভাই নায়াবুদ্দিন শেখ। সোমবার মামলাটি খতিয়ে দেখার আরজি গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘আমরা কয়েকজন সাক্ষীর বয়ান দেখতে চাই। মামলা সংক্রান্ত নথিপত্র এখনই তলব করছি না। আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তিন-চারটি বয়ান জমা দিন। আমরা সেগুলি পর্যালোচনা করে দেখব।’ তবে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে এই মামলায় ২০১৪ সালে অমিত শাহের (গুজরাতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) অব্যাহতির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে না। পাশাপাশি ৯২ জন সাক্ষীর বয়ান বদল নিয়েও এদিন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে গুজরাত ও মহারাষ্ট্র পুলিশের সঙ্গে ‘এনকাউন্টারে’ মৃত্যু হয় সোহরাবুদ্দিন শেখ, তার স্ত্রী কৌসর বাই ও এক ঘনিষ্ঠ সঙ্গী তুলসীরাম প্রজাপতির। যদিও পরিবারের দাবি ছিল, এটা আদতে পরিকল্পিত হত্যা। দেশজুড়ে শোরগোল ফেলে দেওয়া সেই মামলায় অভিযুক্ত ২২ জনের মধ্যে ২১ জনই ছিলেন গুজরাত ও রাজস্থান পুলিশের জুনিয়র লেভেল অফিসার। বাকি একজন গুজরাতের একটি ফার্মহাউসের মালিক। যদিও বিশেষ আদালতে তাঁরা প্রত্যেকেই বেকসুর খালাস পেয়ে গিয়েছিলেন। এরপর বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেও সুরাহা পায়নি সোহরাবুদ্দিনের পরিবার। তারপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা।