


ভোপাল: স্বামী হত্যার অভিযোগে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মধ্যপ্রদেশের রসায়ন শিক্ষিকা মমতা ঠাকুর। আদালতে নিজেই নিজের হয়ে সওয়াল করেন। তাঁর সেই সওয়াল বিস্মিত করে তুলেছিল স্বয়ং বিচারপতিকেই। কারণ, স্বামীর মৃত্যুর ঘটনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রয়াসনের জটিল তত্ত্ব তুলে ধরেন তিনি। কোর্টরুম কার্যত রসায়নের ক্লাসে পরিণত হয়। বিষয়টা নিয়ে সমাজমাধ্যমে বেজায় হইচই হয়েছিল। সেদিন রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারপতি। তবে শেষরক্ষা হয়নি। বুধবার নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখল হাইকোর্ট।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় ওই শিক্ষিকার স্বামী নীরজ পাঠকের। পুলিসের তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মহিলাকে দোষী সব্যস্ত করে জেলা আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তাঁর। কিন্তু প্রতিবন্ধী সন্তানকে দেখভালের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন ওই মহিলা। এরইমধ্যে নিম্ন আদালতের রায়কে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। বুধবার সমস্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁকেই দোষী সাব্যস্ত করে হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের সাজাও বহাল রাখা হয়। অবিলম্বে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।