


গ্যাংটক: নেপালে হড়পা বানে মুছে গিয়েছে একের পর এক লোকালয়। মৃতের সংখ্যা হাজার পেরিয়েছে। নিখোঁজ বহু। নেপালের এই বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়েছে সিকিম। ছোটো-বড়ো ৪০০টিরও বেশি হিমবাহ হ্রদ হয়েছে পড়শি রাজ্যটিতে। তাঁর মধ্যে ১৬টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে জলস্তর বৃদ্ধি, আবহাওয়ার পরিবতর্ন, ভূমিধস সহ যে কোনো বিপর্যয়ের পূর্বাভাস পেতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিকিম প্রশাসন। সোমবার বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর প্রধান রিনজিং চেওয়াং জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ হ্রদগুলির বেশিরভাগেই স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া কেন্দ্র ও সেন্সর বসানো হয়েছে।
এই ১৬টি হ্রদের মধ্যে ১৩টিই উত্তর সিকিমে অবস্থিত। বাকি ৩টির অবস্থান পশ্চিম সিকিমে। চেওয়াং জানিয়েছেন, ‘আমরা এই হ্রদগুলিতে লাগাতার নজরদারি চালাচ্ছি। হ্রদের জলস্তরে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না, তাতে নজর রাখা হচ্ছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, বিপর্যয়ের পূর্বাভাস পেতে বসানো হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ডিভাইস। বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে উত্তর সিকিমের উপর। ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে সিকিমেও হিমবাহ হ্রদ ভেঙে ভয়াবহ হড়পা বান নেমে এসেছিল। তারপরেই হিমবাহ হ্রদের বিপর্যয় নিয়ে সতর্ক হয় সিকিম। চেওয়াং জানিয়েছেন, সেই বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়েছেন তাঁরা।