


কানপুর: রমজান মাসে স্ত্রী-বান্ধবীরা যৌন সম্পর্কে রাজি হয়নি। সেই ‘রাগে’ এক কিশোরকে ধর্ষণের পর এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল দুই দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। অপরাধ গোপন করতে দেহটি দেওয়ালে পুঁতে দিয়েছিল তারা। উত্তরপ্রদেশের কানপুরের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
পুলিস সূত্রে খবর, ঘটনাটি আরোল থানা এলাকার মাকানপুর গ্রামের। দুই অভিযুক্তের নাম আজহার ও হুসেইনি। তারা প্রথমে ওই কিশোরকে অপহরণ করেছিল। ধর্ষণের পর তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করে অভিযুক্তরা। ওই কিশোরের দেহে কোপানোর ৪০টি ক্ষত মিলেছে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর মাকানপুরের একটি বাড়ির দেওয়ালে দেহটি লুকিয়ে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। কিন্তু, কেন এই হাড়হিম করা অপরাধ? তদন্তকারীদের দাবি, পবিত্র রমজান মাসে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে চায়নি আজহার ও হুসেইনির স্ত্রী-বান্ধবী। তাতে হতাশ হয়ে পড়েন দুই অভিযুক্ত। সঙ্গীনীদের উপর রাগ থেকেই এই অপরাধের পরিকল্পনা করে তারা।
অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে আরোল থানার পুলিস। দেওয়াল থেকে কিশোরের দেহ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাদের একজনের কাছ থেকে মৃতের মোবাইল ফোনও মেলে। তার ভিত্তিতে তদন্তকারীরা ঘটনাক্রম সাজিয়ে ফেলেন। কিশোরের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার অব পুলিস (পশ্চিম) বিজেন্দ্র দ্বিবেদী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয়জনের হদিশ পেতে জোর তল্লাশি চলছে।