


আমেদাবাদ, ১৯ জুন: তারিখ ১২ জুন। সময় ১টা ৩৮ মিনিটের কিছুটা পরে। গুজরাতের আমেদাবাদের মেঘানিনগরে আচমকাই ভেঙে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান এআই১৭১ বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। ভারতের বুকে ঘটা সবথেকে বড় বিমান দুর্ঘটনা। যা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকেও। আমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে সবে রওনা দিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। টেক অফের মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে সেটি। মাত্র একজন বাদে ওই বিমানে থাকা সকল যাত্রী, ক্রু সদস্য ও পাইলটদের মৃত্যু হয়।
বিমানটির একাংশ মেঘানিনগরের একটি চিকিৎকদের হস্টেলে ভেঙে পড়ায় মৃত্যু হয় বেশ কয়েকজন ডাক্তারি পড়ুয়ার। গত সপ্তাহে ঠিক বৃহস্পতিবারই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু কেন ঘটল এই দুর্ঘটনা? গাফিলতি? নাশকতা? পাখির সঙ্গে ধাক্কা নাকি যান্ত্রিক ত্রুটি? সেই উত্তর খুঁজতেই বিমানের ব্ল্যাকবক্সের সন্ধান করা হয়। যা পাওয়াও যায়। কিন্তু আজ, বৃহস্পতিবার একটি নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটির ব্ল্যাকবক্সটিকে নিয়ে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ব্ল্যাকবক্সটির ক্ষতি হয়েছে। এখনই তা থেকে সব তথ্য পাওয়া কঠিন। তাই সেটিকে আমেরিকায় পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
সূত্রের খবর, ওয়াশিংটন ডিসির ‘ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি বোর্ড’-এ পাঠানো হতে পারে ব্ল্যাকবক্সটিকে। তবে তার জন্য লাগবে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন। তা মিললেই আমেরিকায় যাবে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাকবক্সটি। ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর) ও ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (এফডিআর)। এই দুটি যন্ত্রই থাকে সব বিমানে। যাদের একত্রে বলে ব্ল্যাকবক্স। একটি বিমানের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকে তাতেই। সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়না ব্ল্যাকবক্স। আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় ২৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। যার মধ্যে মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের।