


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশে হোমিয়োপ্যাথিক চিকিৎসা ও পঠনপাঠনের ইতিহাসে এই প্রথম চালু হচ্ছে সুপারস্পেশালিটি ডিএম বা ডক্টরেট অব মেডিসিন পাঠ্যক্রম। ৬টি বিষয়ে শুরু হচ্ছে পাঠ্যক্রম। পালমোনারি মেডিসিন, ক্লিনিক্যাল ইমিউনোলজি, ক্লিনিক্যাল রিউম্যাটোলজি, পেডিয়াট্রিক সাইকিয়াট্রি, মেডিকেল অঙ্কোলজি ও এন্ডোক্রিনোলজি। এই বিষয়ে একবছর ধরে মতামত চাওয়া হয় জনসাধারণের কাছে। সেই সময়সীমা সম্পূর্ণ। ২০২৭ থেকে পাঠ্যক্রমগুলি শুরু হচ্ছে। এমনই জানিয়েছেন হোমিয়োপ্যাথির শীর্ষ সংস্থা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিয়োপ্যাথির (এনসিএইচ) হোমিয়োপ্যাথি এডুকেশন বোর্ডের সভাপতি ডাঃ রজত চট্টোপাধ্যায়।
কেন এই বিষয়গুলিই বাছা হল? এনসিএইচ-এর এক পদস্থ সূত্র জানিয়েছে, করোনার সময় আমরা দেখেছি পালমনোলজি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে অ্যালার্জি ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসায় হোমিয়োপ্যাথির কার্যকারিতা কারও অজানা নয়। অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও হাড়ের অসুখ এখন ঘরে ঘরে। অসংখ্য মানুষ আর্থিক ও নানা কারণে ক্যানসারে বিকল্প প্যাথি হিসাবে হোমিয়োপ্যাথির আশ্রয় নেন। অন্যদিকে গুরুত্বের বিচারে সুগার ও হরমোনজনিত সমস্যার চিকিৎসা এখন দেশে অসুখবিসুখের ভরকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অটিজমসহ বাচ্চাদের নানা জিনগত অসুখে মনো চিকিৎসার গুরুত্বও ক্রমবর্ধমান।