


নয়াদিল্লি ও মুম্বই: মুম্বই হামলার অন্যতম মূলচক্রী বলে কথা। তাই দেশের দুই শহরের দুই জেলে সারা সব রকমের প্রস্তুতি। সূত্রের খবর, তাহাউর হুসেন রানাকে এনআইএ সরকারিভাবে গ্রেপ্তার করার পর প্রাথমিকভাবে তার ঠাঁই হচ্ছে দিল্লির তিহার জেলে। আবার হামলার মূল ঘটনা যেহেতু মুম্বইয়ে ঘটেছিল, তাই বিচারের প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রয়োজনে রানাকে বাণিজ্যনগরীতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেখানে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে কুখ্যাত আর্থার রোড জেলকে। দুই শহরের এই দুই জেলেই তাই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিচার চলাকালীন রানাকে মুম্বই আনা হলে সেখানে তাকে রাখা হবে আর্থার রোড জেলের ১২ নম্বর বারাকে। ঘটনাচক্রে, ফাঁসির আগে আজমল কাসবকেও রাখা হয়েছিল এই ১২ নম্বর বারাকের বিস্ফোরণ-রোধী বিশেষ একটি সেলে। সেই কক্ষটি আন্ডা সেল নামে খ্যাত। মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলটি তৈরি হয়েছিল ১৯২৫ সালে, তিন একর জমির উপর। এই জেলে ১ হাজার ১০০ কয়েদিকে রাখার ব্যবস্থা থাকলেও আদতে তার চেয়ে অনেক বেশি প্রায় ৪ হাজার বন্দি রয়েছে। তবে ১২ নম্বর বারাকটি আর পাঁচটি সাধারণ বারাকের থেকে আলাদা। এটি তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ। কাসব যখন বন্দি ছিল, সেই সময় এই বারাকে পৃথক রান্নাঘরেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। জেলসূত্রে খবর, এই ১২ নম্বর বারাকের গ্রাউন্ড ফ্লোরে তিনটি সেল রয়েছে। তার মধ্যেই একটিতে জায়গা হতে পারে রানার।