


শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স নিবেদিত ‘রিফ্লেকশন্স’
শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স সম্প্রতি আগরতলায় তাদের ফ্ল্যাগশিপ শোরুমে ৯ ক্যারেট গোল্ড ও ডায়মন্ড জুয়েলারির এক্সক্লুসিভ কালেকশন ‘রিফ্লেকশন্স’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করল। ‘রিফ্লেকশন্স’ শুধুমাত্র সাশ্রয়ী ৯ ক্যারেট জুয়েলারির একটি কালেকশন নয়। এটি ৯ ক্যারেট গোল্ড ও ডায়মন্ড জুয়েলারির এক বিশেষ অভিব্যক্তি। যা গ্রাহকের আত্মবিশ্বাস, আকাঙ্ক্ষা এবং অন্তর্নিহিত উজ্জ্বলতাকে প্রতিফলিত করার জন্য তৈরি। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের ডিরেক্টর অর্পিতা সাহা ও রূপক সাহা শুরুতে এই এক্সক্লুসিভ জুয়েলারি কালেকশনটি উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এছাড়াও তারকা প্রান্তিকা, ত্রিপুরার গর্ব মিস্টার ইউনিভার্স মিঠুন দেববর্মা, হানা দেববর্মা ও রৌনক জানা উপস্থিত ছিলেন। রূপক সাহা বলেন, ‘৯ ক্যারেট জুয়েলারি এমন একটি গয়নার সম্ভার, যা ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতাকে মেলায় এবং যা প্রত্যেক দিন ব্যবহার করা যায়।’ অর্পিতা সাহা বলেন, ‘রিফ্লেকশন্স একটি এক্সক্লুসিভ জুয়েলারি কালেকশন।’
ব্রিটিশ ভারত থেকে স্বাধীন ভারতের জীবন্ত ইতিহাস
সদ্য একশো বছরে পা দিলেন কমলা বালা দে। তাঁর শতবর্ষের জীবন শুধু একটি ব্যক্তিগত মাইলফলক নয়, বরং ব্রিটিশ ভারত থেকে স্বাধীন ভারতের পথচলার এক বিরল জীবন্ত দলিল। তাঁর জীবনের প্রথম ২০ বছর কেটেছে ব্রিটিশ শাসিত ভারতে, আর পরবর্তী ৮০ বছর তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের দীর্ঘ অধ্যায়। মাত্র নয় বছর বয়সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া কমলাদেবী খুব কাছ থেকে দেখেছেন স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তাল সময়। তাঁর স্বামী প্রয়াত বঙ্কিমচন্দ্র দে ছিলেন বাঁকুড়ার শ্রীধরপুরের শ্রদ্ধেয় গ্রামপ্রধান। তাঁদের জ্যেষ্ঠ পুত্র, ৭৩ বছর বয়সি রামানন্দ দে পদার্থবিদ্যায় এমএসসি করে সংসারজীবন ত্যাগ করে বর্তমানে আশ্রমে শিশুদের শিক্ষাদান ও সমাজসেবায় নিয়োজিত। ছোটো ছেলে কৃষাণু দে দেশের স্বার্থে মিলিটারিতে যোগদান করেন।
‘বাংলার সেরার শিরোপা ২০২৬’ ও মেগা ফ্যাশন শো
ডি.এস. প্রোডাকশন হাউসের উদ্যোগে কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের ইব্রাফেস্ট ব্যাঙ্কোয়েটে অনুষ্ঠিত হল ‘বাংলার সেরার শিরোপা ২০২৬’ এবং ‘মেগা ফ্যাশন শো রেড কার্পেট সিজন ৪’। প্রতিষ্ঠাতা শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে এবং সৈকত নন্দীর সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, মধুমিতা গুপ্তা, পণ্ডিত মল্লার ঘোষ, মল্লিকা ঘোষ, সপ্তমী বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট অতিথিরা। মহানায়কের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিশেষ ফ্যাশন শো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। বিভিন্ন ডিজাইনারের পোশাক প্রদর্শনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে চিকিৎসা, সংস্কৃতি ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের ‘বাংলার সেরার শিরোপা ২০২৬’ সম্মান প্রদান করা হয়।