


নয়াদিল্লি, ২৬ জুন: কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭- ৮ ড্রিমলাইনারের? নাশকতা? টেকনিক্যাল ফল্ট? পাইলটদের গাফিলতি? পাখির ধাক্কা? আসল কারণ কী? যার জন্য চলে গেল এতজনের প্রাণ। সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ব্ল্যাক বক্স থেকেই। যা উদ্ধারও করা হয়েছে এবং আজ, বৃহস্পতিবার অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয় সেটি থেকে সমস্ত তথ্য ডাউনলোড করা হয়েছে বা তোলা সম্ভব হয়েছে। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনে থাকা এএআইবি সেই কাজ করছে। সেই তথ্য থেকেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে জলের মতে, অনুমান তদন্তকারীদের। অর্থাৎ জানা যাবে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ।
গত ১২ জুন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট থেকে টেক অফের অল্প সময়ের মধ্যে আমেদাবাদের মেঘানিনগরে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। বিমানটি আমেদাবাদ থেকে ব্রিটেনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু রানওয়ে ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ভেঙে পড়ে সেটি। মৃত্যু হয় বিমানে থাকা ২৪২ জনের মধ্যে ২৪১ জনের। মেঘানিনগের যেখানে বিমানটি ভেঙে পড়েছিল সেই বি জে মেডিক্যালের হস্টেলেও মৃত্যু হয় অনেকের।
এই বিমান দুর্ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বি জে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ছাদ থেকে উদ্ধার হয় এফডিআর। চারদিন পর উদ্ধার হয় সিভিআর। এই সিভিআর ও এফডিআর হল ব্ল্যাক বক্সের মূলত দু’টি অংশ। একটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর) এবং অপরটি ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (এফডিআর)। পাইলটদের কথাবার্তার পাশাপাশি উড়ান সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যও জানা যাবে এটি থেকে।