


নয়াদিল্লি: নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে এসআইআরের প্রাথমিক কাজ। ফলে কাজের চাপে বহু বিএলও অসুস্থ হয় পড়ছেন বলে অভিযোগ। কেউ কেউ আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গত ২২ দিনে সাতটি রাজ্যে ২৫ জন বিএলও অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বা আত্মহত্যা করেছেন। এরমধ্যে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সেরাজ্যে ৯ জন বিএলও প্রাণ হারিয়েছেন। বিজেপি শাসিত দুটি রাজ্য উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতে সংখ্যাটা ৪ জন করে মোট আট। পশ্চিমবঙ্গে ৩, রাজস্থানে ৩, তামিলনাড়ু ও কেরলে ১ জন বিএলওর মৃত্যু হয়েছে।
এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সুর চড়িয়েছে জোড়াফুল শিবির। একই সুর শোনা গেল সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের গলায়। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। তাঁদের অবাস্তব টার্গেট দেওয়া হচ্ছে। নানা ভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। এর জেরে প্রবল মানসিক চাপের মুখে পড়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সেকারণে অনেক বিএলও আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। গোটা পরিস্থিতিকে নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন অখিলেশ। সপা সুপ্রিমোর দাবি, বিজেপির ভোটচুরির অন্যতম হাতিয়ার হল এই এসআইআর প্রক্রিয়া।
জানা গিয়েছে, গত সোমবার উত্তরপ্রদেশে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বিএলও বিপিন যাদব। তারপরই গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিপিনের বাবা। তাঁর দাবি, ওবিসি ভোটারদের নাম বাদ দিতে ছেলের উপর চাপ দিচ্ছিলেন মহকুমাশাসক ও বিডিও। কথামতো কাজ না করলে সাসপেন্ড ও গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল বিপিনকে। সেকারণেই চরম পথ বেছে নিয়েছে ছেলে।