


ওয়াশিংটন: নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ থেকেই বিরোধী নেত্রী মারিয়া মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব দেননি ট্রাম্প। এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি। ওয়াশিংটন পোস্টে এ খবর প্রকাশের পরেই সামনে এল চলতি বছরের নোবেলজয়ী মাচাদোর বক্তব্য। মঙ্গলবার তিনি সাফ জানিয়েছেন, ট্রাম্পও এই পুরস্কারের যোগ্য। ট্রাম্পের সঙ্গেই তিনি এই পুরস্কার ভাগ করে নিতে চেয়েছিলেন। ২০২৫-এর অক্টোবরে নোবেল পুরস্কার জিতেও একই রকম ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে দাবি তাঁর। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদে বসার জন্যই কি এবার মাচাদো এহেন বক্তব্য রাখলেন, উঠছে প্রশ্ন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে নিউ ইয়র্কে নিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। এরপরে ভেনেজুয়েলায় যে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছে তা পূরণ করতে মার্কিনপন্থী মাচাদোকেই বেছে নেওয়াটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। এমনটাই মনে করে পশ্চিমী বিশ্ব। তবে তাঁকে সেই দায়িত্ব না দিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজের সঙ্গেই কাজ করতে আগ্রহী হন ট্রাম্প। ডেলসি এখন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। এত কিছুর পরেও ট্রাম্পের প্রতি আস্থাই প্রকাশ করেছেন মাচাদো। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি নোবেল পুরস্কারের যোগ্য। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। ৩ জানুয়ারি ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে। সেদিন স্বৈরাচার সুবিচারের কাছে পরাজিত হয়েছিল। এটা একটা মাইলফলক। শুধু ভেনেজুয়েলার জন্যই নয়, মানবতার পক্ষেও এটা একটা বড় পদক্ষেপ।’
নোবেল পুরস্কারের পর আর ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর আর কথা হয়নি বলে মাচাদো জানিয়েছেন। বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে ১০ অক্টোবর আমার কথা হয়। সেদিনই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য আমার নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর আর কথা হয়নি।’ ২০২৪ সালে ভেনেজুয়েলার সাধারণ নির্বাচনে ভোটে লড়েননি তিনি। বরং বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গঞ্জালেস উরুতিয়ার হয়ে প্রচার করেছিলেন মাচাদো। এরপর প্রায় এক বছর অন্তরীণ থাকেন। প্রকাশ্যেই ট্রাম্পের সেনা অভিযানকে সমর্থন করেছেন। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য এটা প্রয়োজন।