


ওয়াশিংটন: এখনই ভারতে ফেরত পাঠানো যাবে না বদর খান সুরিকে। অভিবাসন বিভাগের আধিকারিকদের এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে বলেই জানিয়েছেন ভার্জিনিয়ার ডিস্ট্রিক্ট জাজ প্যাট্রিসিয়া জাইলস। প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের হয়ে প্রচার চালানোর অভিযোগে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতীয় গবেষক এবং পোস্ট ডক্টরাল ফেলো বদরকে আটক করেছিল হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। এরপর তাঁর ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্প প্রশাসন। আদালতের এদিনের নির্দেশে আপাতত সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না।
গত ১৫ মার্চ ভার্জিনিয়ার আর্লিংটন থেকে গ্রেপ্তার হন বদর খান সুরি। তাঁর ঠাঁই হয় টেক্সাসের ডিটেনশন সেন্টারে। সুরির বিরুদ্ধে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অভিযোগ তোলে, জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় হামাসের হয়ে প্রচার চালাতেন তিনি। ছড়াতেন ইহুদি-বিদ্বেষ। শুধু তাই নয়, হামাসের ওই পরামর্শদাতা ভারতীয় ছাত্রের শ্বশুর বলে দাবি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার প্রাক্তনী বদর আমেরিকার গ্রিন কার্ডধারী। তাঁর স্ত্রী মাফাজ আহমেদ ইউসুফ প্যালেস্তাইন বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সুরির শ্বশুর আহমেদ ইউসুফ গাজার হামাস সরকারের প্রাক্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
ট্রাম্প প্রশসনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন সুরি। তাঁর আইনজীবী হাসান আহমেদ আদালতকে জানান, স্ত্রী প্যালেস্তিনীয় হওয়ার কারণেই সুরিকে নিশানা করা হয়েছে।