


ঢাকা: পুলিশের জালে দীপু দাস হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত। বুধবার বিকেলে ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকায় ইয়াসিন আরাফতকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের বাড়ি ভালুকা উপজেলার দক্ষিণ হবিরবাড়ির কড়ইতলা মোড় এলাকায়। তিনি কাশর এলাকায় শেখবাড়ি মসজিদে ইমামের কাজ করতেন। পাশাপাশি, মদিনা তাহফিজুল কোরান মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করতেন ইয়াসিন।
গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের একটি কারখানার প্রাক্তন কর্মী দীপু দাসকে পিটিয়ে খুন করা হয়। এরপরে কারখানা থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি গাছে ঝুলিয়ে তাঁর দেহে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। পুলিশ জানিয়েছে, দীপুকে মারতে ইয়াসিনই মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। তিনিই লোক খেপিয়ে দীপুর উপর চড়াও হতে ইন্ধন জুগিয়েছেন। ইমাম হওয়ার সুবাদে স্থানীয়দের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। সেই সুবাদেই তিনি দ্রুত লোক জড়ো করে এমন কাণ্ড ঘটাতে পেরেছেন।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আরাফত শুধু লোক জড়োই করেননি। তিনি নিজেও দীপুকে কুপিয়েছেন। এ সম্পর্কে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার সময়ের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, দীপুর উপর চড়াও হতে উত্তেজিত জনতাকে প্ররোচিত করেছিলেন ইয়াসিন। ঘটনার পর তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন। টানা ১২ দিন ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকায় বিভিন্ন মাদ্রাসায় ঠাঁই নেন। পরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবেও যোগ দেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।