


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কাঁধে একটা বড়ো ব্যাগ। টিপু সুলতান মন্দিরের সামনে থেকে পার হলেন কে সি দাসের মিষ্টির দোকানের দিকে। চারিদিকে কী যেন একটা খুঁজছেন হন্যে হয়ে বছর পঁয়তাল্লিশের সুজন মণ্ডল। পিছনে স্ত্রী। তাঁর হাত ধরে ১৩ বছরের শিশুপুত্র। শেষমেশ কর্তব্যরত পুলিশকর্মী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘দাদা একুশে জুলাইয়ের সভা এখানে হচ্ছে না?’ পুলিশকর্মীর সাফ জবাব—‘না। মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির কাছে চলে যান।’ সেদিকে হাঁটা দেন সস্ত্রীক সুজনবাবু। সেখানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছিল ঋতব্রত তৃণমূলের উদ্যোগে আয়োজিত একুশে জুলাই। সভায় অরূপ, ফিরহাদ, মদনের মতো চেনা নেতাদের দেখতে পেয়ে চেয়ার খুঁজে বসে পড়েন সুজনবাবু। পুলিশি নির্দেশ মোতাবেক তৃণমূলের সভায় এলেও ‘মমতা আসছেন না কেন?’ অধৈর্য হয়েই প্রশ্নটা করেন পাশের বসা এক প্রৌঢ়কে। সেখানেই জানতে পারেন, মমতার সভা এখানে নয়। বিড়লা তারামণ্ডলের কাছে মঞ্চ বাঁধা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর। একমুহূর্ত আর সময় নষ্ট করলেন না সুজনবাবু ও তাঁর স্ত্রী, পুত্র। সটান গান্ধীমূর্তির সভা ছেড়ে হাঁটা লাগালেন বিড়লা তারামণ্ডলের দিকে। ততক্ষণে তাঁর প্রিয় ‘দিদি’ মঞ্চে এসে গিয়েছেন। ঠায় দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুনলেন মমতার।