


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে হেড কোচের পদে নিয়োগ করেছিলেন ইস্ট বেঙ্গলের কর্তারা। কার্যত ভাঙাচোরা দল নিয়ে মরশুমের প্রথম টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপ জিতে তা আরও বাড়িয়ে দেন স্প্যানিশ কোচ। ভারতীয় ফুটবলে কোচিং করানো বিদেশিদের মধ্যে কেন তিনি সফল, তা ফের প্রমাণ করেন হাবাস। এমনকি, এশিয়ান মঞ্চেও তাঁর হাত ধরে শুরুটা ভালোই করেছিল মশাল বাহিনী। তবে এরপরই হঠাৎই ধরাকে সরা ভেবে নিজের ইচ্ছেমতো দল চালনা করতে শুরু করেন বর্ষীয়ান কোচ। আর তারপরেই ইস্ট বেঙ্গলের পারফরম্যান্সের গ্রাফ নামতে থাকে। বিশেষত দলে দুই বিদেশি স্ট্রাইকার থাকা সত্ত্বেও এসিএল-টু’র ম্যাচে ভারতীয় অ্যাটাকারদের নিয়ে দল সাজানোর খেসারত দিতে হয়েছে। আল সিবের বিরুদ্ধে ঘরে-বাইরে পয়েন্ট খুইয়ে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব থেকেই কার্যত বিদায়ের পথে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তাতেই একাধিক অপ্রিয় প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে স্প্যানিশ কোচকে।
মঙ্গলবার আল সিব ম্যাচে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ ডেভিড-এডমুন্ডরা। অথচ আপফ্রন্টে প্রথম পরিবর্তনটি আসে ৫৮ মিনিটে। হাবাস কি তাহলে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন? দলে বিষ্ণু, রোহিত দানুর মতো উইঙ্গার থাকা সত্ত্বেও বিপিনের পরিবর্তে কেন উইং-ব্যাক হার্দিক ভাটকে ব্যবহার করলেন তিনি? এছাড়া মরশুমের প্রায় তিন মাস কেটে গেলেও দলে ফিটনেসের সমস্যা রয়েছে। সেই তালিকায় থাকা বেশিরভাগ ফুটবলারকে হাবাস নিজে পছন্দ করেছেন। তাহলে কি তিনি ফুটবলারদের ফিটনেস সম্পর্কে যথাযথ খোঁজখবর নেননি? আইএসএলের আগামী ম্যাচের আগে এই সকল প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে না পারলে সমস্যা আরও বাড়বে।
এদিকে, মঙ্গলবার পেশির চোটে মাত্র ১৭ মিনিটেই মাঠ ছেড়েছিলেন আনোয়ার আলি। বৃহস্পতিবার তাঁর চোটের জায়গায় স্ক্যান হবে। তারপরই জানা যাবে, তা কতটা গুরুতর। আপাতত চেন্নাই ম্যাচে আনোয়ারকে ছাড়াই দল সাজাতে হবে হাবাসকে। এমনকি, জাতীয় দলের হয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে অনিশ্চিত এই তারকা ডিফেন্ডার।