


নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বর্ষার খামখেয়ালিপনায় চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। দক্ষিণবঙ্গের বহু ব্লকেই জলের অভাবে এখনো চাষ শুরু হয়নি। ধানের চারা বড়ো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, জলের অভাবে চারা রোপণের কাজ শুরু হয়নি। যেসব জায়গায় সাবমার্সিবল বা ডিপটিউবওয়েল রয়েছে সেসব এলাকায় রোপণের কাজ সবে শুরু হয়েছে। তবে যেসব জায়গায় সাবমার্সিবল নেই, সেখানে রোপণ করা যায়নি। চাষিরা বলেন, রথের দিন থেকে আগে অনেকেই ধান চাষ করতেন। শুভদিনে চারা রোপণ হলে ফলন ভাল হবে এই বিশ্বাস তাঁদের রয়েছে। এবার সেটা হয়নি। বর্ষার সময় চাষিরা বৃষ্টির জলের উপরই ভরসা করে থাকেন। সামার্সিবল থেকে জল তুলতে অনেক বেশি খরচ হয়।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ধানের চারা রোপণ করা যায়। তারপর রোপণ হলে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এখনই দুশ্চিন্তার কারণ নেই। চারা রোপণের জন্য এক মাসের বেশি সময় রয়েছে। ততদিনে বৃষ্টি নামবে বলে আশা করা যায়। এক আধিকারিক বলেন, বর্ধমানের আউশগ্রামের মতো বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার বহু ব্লকের চাষিদের বৃষ্টির জলের উপর নির্ভর করতে হয়।