


নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া ও চুঁচুড়া: পৃথক মামলায় দুই জেলায় দুই ব্যক্তিকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দিলেন বিচারক। প্রকাশ্য রাস্তায় এক ব্যক্তির খুনের চেষ্টায় দোষীকে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল হাওড়ার তৃতীয় ফাস্ট ট্র্যাক আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারক দেবশ্রী লাহিড়ী অভিযুক্ত গণেশ যাদব দোষী ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। বুধবার আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল।সরকারপক্ষের আইনজীবী অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে হাওড়ার বি গার্ডেন থানা এলাকায় মদ্যপানকে কেন্দ্র করে গণেশের সঙ্গে তাঁর শ্যালকের বচসা হয়। সেই সময় বিবাদ মেটাতে এগিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দা নির্মল মাঝি। অভিযোগ, পুরানো আক্রোশের জেরে গণেশ নির্মলের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে দক্ষিণ হাওড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। নির্মল মাঝির মেয়ে বি গার্ডেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং গণেশকে গ্রেপ্তার করে।
প্রায় একই ঘটনা ঘটে হুগলিতেও। রাস্তা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে বৃদ্ধাকে খুনের চেষ্টা করেছিল প্রতিবেশী। ২০২০ সালের সেই মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড দিলেন বিচারক। বৃহস্পতিবার চুঁচুড়ার প্রথম ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টর বিচারক পীযূষকান্তি ঘোষ ওই মামলার সাজা ঘোষণা করেন। মামলার সরকারি আইনজীবী ছিলেন দেবেন্দ্র তিওয়ারি। মুখ্য সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, পাণ্ডুয়ার তোড়গ্রামের বাসিন্দা অরবিন্দ ঘোষকে বিচারক সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। গত ১৭ নভেম্বর ২০২০ সালে অরবিন্দ তার প্রতিবেশী বৃদ্ধা সুমিতা মণ্ডলকে ট্রাক্টর চাপা দিয়ে খুনের চক্রান্ত করেছিল। দু’জনের মধ্যে রাস্তা নিয়ে বিবাদ ছিল। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার জেরে হাঁটাচলার শক্তি হারিয়েছেন বৃদ্ধা।