


নয়াদিল্লি: সাতজন পড়ুয়ার মৃত্যুর পর অবশেষে ঘুম ভাঙল দিল্লি পুরনিগমের (এমসিডি)। যে সব বাড়িতে অবৈধভাবে হস্টেল তৈরি করে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে, সেই বাড়িগুলিতে অভিযান শুরু করেছেন পুরসভার আধিকারিকরা। গত দু’দিনে এমসিডির একাধিক দল পুরনিগমের অন্তর্গত ১২টি জোনের অন্তত ১ হাজার ১০০ হস্টেলে অভিযান চালিয়েছে। ওই ভবনগুলিতে ২০ হাজারের বেশি পড়ুয়া পেয়িং গেস্ট (পিজি) হিসাবে ভাড়া থাকেন। বাড়িগুলির বেআইনি অংশ ভাঙার প্রক্রিয়া শুরুর পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপও করছে এমসিডি। ইতিমধ্যেই পূর্ব দিল্লির পাণ্ডব নগরে বেআইনিভাবে তৈরি একটি বাড়ি ভেঙে দিয়েছে। উত্তম নগরে একটি চারতলা নির্মীয়মাণ বাড়িও ভাঙা হবে। বহু বাড়ির ছাদ বেআইনিভাবে চওড়া করে হস্টেল তৈরি হয়েছে। সেগুলিও ভেঙে দিচ্ছেন পুরকর্মীরা। এমসিডি সূত্রে খবর, গত দু’দিনে ২৪টি বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হয়েছে। তালিকায় আরও ২৭টি নির্মাণ বাড়ি রয়েছে। সাতটি ভবন সিল করে দেওয়া হয়েছে। ৩৬টি বাড়ির মালিককে শো-কজ নোটিস ধরানো হয়েছে। এছাড়া হস্টেলগুলির ভিতরে নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছে পুরনিগম।
এদিকে ভেঙে পড়া সত্যনিকেতন বাড়ির মালিক হরিরামের ছেলে মহেশকে দু’দিনের পুলিশ হেপাজতে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার আদালত মহেশের সঙ্গে হস্টেলের পরিচালক ও এক ঠিকাদারকেও পুলিশ হেপাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। পুলিশ সূত্রে খবর, হরিরামের ছেলেও ওই বাড়িটির মালিক। তিনি সুধাংশু ও শুভম ত্যাগী নামে দুজনকে গত বছর ওই বাড়িটি লিজে দেন মহেশ। এরপর ওই দুজন ওই বাড়িটিতে ‘হস্টেল ডেজ’ নামে ওই পিজি চালু করেন।