


ওয়াশিংটন: ড্রাগন-হাতি-ভালুকের নাচ! চীন-ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বে প্রমাদ গুনছে আমেরিকা। এসসিও বৈঠকে একমঞ্চে জিনপিং-মোদি-পুতিন। সেই ছবিতেই কি মেরুদণ্ডে ঠান্ডা স্রোত অনুভব করতে শুরু করল আমেরিকা? ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অন্দর থেকেই এবার উদ্বেগের সুর সামনে আসতে শুরু করল। খাস হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শীর্ষ বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারোর স্বীকারোক্তি, ভারত, রাশিয়া ও চীনের এই ঐক্যের প্রদর্শন যথেষ্টই ‘ঝঞ্ঝাটে’র। ঘটনাচক্রে, রাশিয়া থেকে তেল কেনার ইস্যুতে এই নাভারোই বিভাজনমূলক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান। তাঁর উদ্ভট দাবি ছিল, রুশ তেল থেকে ভারতে ‘ব্রাহ্মণরা উপকৃত হচ্ছেন’। সেই বিতর্কের রেশ কাটার আগেই উদ্বেগের সুর তাঁর কণ্ঠে।
শুল্কযুদ্ধের প্রেক্ষিতে ভারত-চীন-রাশিয়ার বন্ধুত্ব নিয়ে নাভারো বলেন, ঝঞ্ঝাটের বিষয়। উদ্বেগ গোপন না করলেও সমালোচনা করতে ছাড়ছেন না ট্রাম্পের এই বাণিজ্য উপদেষ্টা। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নেতা মোদিকে বিশ্বের দুই বৃহত্তম একনায়ক পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে একসঙ্গে দেখাটা লজ্জার। উনি (মোদি) ঠিক কী ভাবছেন আমার জানা নেই। তবে চীনের সঙ্গে ভারতের উষ্ণ-শীতল যুদ্ধের ইতিহাস বহু দশকের। আমাদের আশা, ভারতীয় নেতার বিবেক ফিরবে। তিনি বুঝবেন, চীনের সঙ্গে নয়, ইউরোপ ও আমাদের সঙ্গে থাকা উচিত ভারতের। রাশিয়ার সঙ্গে নয়, বরং ইউক্রেনের সঙ্গে থাকা উচিত।