


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: মানুষের সমস্যা শোনার জন্য নৈহাটির বিধানসভার অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে চালু হচ্ছে ‘জনতা সেবা কেন্দ্র’। গ্রামের লোককে যাতে সাধারণ প্রয়োজনেও শহরে ছুটতে না হয়, তার জন্য এই ব্যবস্থা। এই বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতই নৈহাটি পুরসভা থেকে বেশ কিছুটা দূরে। কাঁপা চাকলা, পলাশি মাঝিপাড়া, জেটিয়া ও শিবদাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দু’দিন করে ওই সেবা কেন্দ্রে বসবেন নৈহাটি বিধানসভার বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সেখানে সাধারণ মানুষ তার সমস্যার কথা জানাতে পারবে।
তবে তৃণমূল আমল থেকেই নৈহাটি পুরসভায় রয়েছে বিধায়কের অফিস। চেয়ারম্যানের ঘরের পাশেই সেই অফিসটি রয়েছে। বিধায়ক ও পরবর্তী সময়ে সাংসদ হিসাবে সেখানেই বসতেন পার্থ ভৌমিক। সনৎ দে বিধায়ক থাকাকালীন তাঁর আলাদা চেম্বার ছিল। নতুন বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় নৈহাটি পুরসভাতেই নিয়মিত বসছেন। পুরসভার কাজকর্মও দেখভাল করছেন। তবে গ্রামের নাগরিকদের সুবিধার্থে তিনি গ্রামে গিয়ে ‘জনতা সেবা কেন্দ্রে’ বসে মানুষের সমস্যার কথা শুনবেন বলে ঠিক করেছেন। মূলত দুপুরের পর পঞ্চায়েত অফিসেই ‘জনতা সেবা কেন্দ্র’ চালু হচ্ছে। ইতিমধ্যে কাঁপা চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে সেবা কেন্দ্র হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে সুমিত্রবাবু বলেন, ‘জনসংযোগ বাড়াতে এবং মানুষের সমস্যার কথা শুনতে জনতা সেবা কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যা জানতে পারছি, রাস্তা খারাপের অভিযোগই আসছে সবথেকে বেশি। বর্ষাকাল গেলেই রাস্তা মেরামতির উদ্যোগ নেওয়া হবে। নৈহাটি পুরসভায় বিধায়কের কার্যালযয়ে আমি বসি। এখন থেকে প্রতিটি পঞ্চায়েতে দুদিন করে বসব দুপুরের পর।’ প্রসঙ্গত, ওই চারটি পঞ্চায়েত থেকে নৈহাটি পুরভবন অনেকটাই দূর।