


সৌগত গঙ্গোপাদ্যায়, কলকাতা: মাত্র ১৪ বছর বয়সে হ্যারিস শিল্ডে ৫৪৬ রানের ইনিংস। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। রনজি ট্রফি ও দলীপ ট্রফিতে অভিষেকে শতরান। সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হিসাবে টেস্ট অভিষেকেও সেঞ্চুরির নজির। একসময়ের পরবর্তী ‘বিগ থিং’ যদিও বারবার পথ হারিয়েছেন। হাল ছাড়তে নারাজ মুম্বইকর অবশ্য প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন দেখেন। তাঁর নেতৃত্বে রনজিতে বাংলাকে হারাল মহারাষ্ট্র। শহর ছাড়ার আগে বর্তমানকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন পৃথ্বী সাউ।
প্রশ্ন: ইডেনে বাংলাকে হারানোর অনুভূতি কেমন?
পৃথ্বী: খুবই ভালো। বাংলা শক্তিশালী দল। সামি, অভিমন্যু, শাহবাজের মতো প্লেয়ার আছে। কিন্তু, আমাদের প্রত্যেকে সেরাটা উজাড় করে দিয়েছে। বিশেষ করে বোলাররা।
প্রশ্ন: বাংলার বিরুদ্ধে পরিকল্পনা কী ছিল?
পৃথ্বী: ৭-৮ বছর ধরে রনজি খেলছি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে এসেছে। বড়ো বড়ো মিটিং পছন্দ নয়। শুধু বলেছি, শৃঙ্খলা বজায় রাখো আর মাঠে খেলাটা উপভোগ কর।
প্রশ্ন: মুম্বই ছেড়ে আপনি এখন মহারাষ্ট্রের অধিনায়ক। নতুন ভূমিকা উপভোগ করছেন?
পৃথ্বী: অনূর্ধ্ব-১৪ থেকেই নেতৃত্ব দিচ্ছি। অনূর্ধ্ব-১৬ এমনকী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও দেশের অধিনায়ক ছিলাম। ক্যাপ্টেন্সি আমার বেশ পছন্দের। দলের প্রত্যেকে আমায় সম্মান করে, কথা শোনে।
প্রশ্ন: সামির সঙ্গে লড়াইটা কেমন উপভোগ করলেন?
পৃথ্বী: সামি ভাই অনেক বছরের বন্ধু। আমরা একসঙ্গে ভারতের হয়ে খেলেছি। একসঙ্গে বাদ পড়েছি (হেসে)। আইপিএলেও দিল্লি ক্যাপিটালসে সতীর্থ ছিলাম। দেখা হলেই পুরানো দিনের স্মৃতি তাজা হয়ে যায়। ফোন বা ইনস্টাগ্রামেও কথা হয়। সামিভাইয়ের সঙ্গে মাঠের লড়াইটা দারুণ উপভোগ করি। তবে মাঠের বাইরে দারুণ সম্পর্ক।
প্রশ্ন: সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে আপনার কথা হচ্ছিল। বিশেষ কোনো পরামর্শ পেলেন?
পৃথ্বী: হ্যাঁ, সেদিন দেখা হয়েছিল। তবে বাস ছেড়ে দিচ্ছিল। তাই বেশি কথা হয়নি। দাদাও ব্যস্ত ছিলেন। ওই, হালচাল জিজ্ঞাসা করছিলেন। ইডেনের উইকেট কেমন, সেটাও জানতে চাইলেন।
প্রশ্ন: ভবিষ্যৎ কীভাবে দেখছেন?
পৃথ্বী: জাতীয় দলে ফেরার কথা মাথায় তো থাকেই। তবে বর্তমানে ফোকাস ঘরোয়া ক্রিকেটেই।