


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় ৩৭ বছর আগে ১৯৮৮ সালে মায়ানমার-ভারত সীমান্তে একই মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল। রিখটর স্কেলে ৭.৫ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল মায়ানমারের ‘সাগাইং’ অঞ্চলে। তবে তা ভারত সীমান্তের একদম কাছে ছিল। রেকর্ড অনুযায়ী, ৬ আগস্ট সকাল ৭টা নাগাদ হওয়া ওই ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে। কিন্ত তীব্র মাত্রার ভূমিকম্প হলেও, তাতে ভারতে মৃত্যু খুব বেশি হয়নি। সরকারি হিসেব অনুযায়ী ভারতে পাঁচজন মারা গিয়েছিলেন। নিখোঁজ হয়েছিলেন ৩০ জনের মতো। বাংলাদেশেও কিছু মৃত্যু হয়েছিল। মায়ানমারের ক্ষয়ক্ষতি ও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ভূগর্ভের অনেকটা নীচে হওয়ার কারণে ক্ষতির মাত্রা কম হয়েছিল। ১৯৮৮ সালের ভূমিকম্পটি সৃষ্টি হয়েছিল প্রায় ৯০ কিলোমিটার গভীরে। সেখানে শুক্রবারের ভূমিকম্পটি সৃষ্টি হয়েছে ভূগর্ভের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। গভীরতা কম হওয়ায় এবারের ভূমিকম্পে তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে। ১৯৮৮ সালের আগস্ট মাসেই নেপাল হিমালয়ে ৭ মাত্রার কাছাকাছি একটি ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল। তাতে ভারতের বিহার ও নেপাল মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক হাজারের বেশি মানুষের।