


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর ও বরানগর: ১৯৯৩ -র একুশে জুলাই পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন কাঁকিনাড়ার কেশব বৈরাগী। তাঁর স্ত্রী রিনা প্রতিবছর একুশে জুলাইয়ের সভায় যান। এবার অসুস্থ থাকায় তিনি যেতে পারছেন না। গেলে মমতার সভাতেই তিনি যেতেন। মমতা তৃণমূলের পক্ষে বারাকপুরের জেলা সভাপতি অমিত গুপ্তা কাঁকিনাড়ার বাড়িতে গিয়ে কেশব বৈরাগীর ছবিতে মাল্যদান করেন। রিনাদেবীক সভায় যাওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু উনি যেতে পারছেন না। অমিত গুপ্তা বলেন, আমি কয়েক বছর ধরে ওঁদের বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। এবারও জানিয়ে এসেছি। রিনাদেবী এবং তার মেয়েকে কলকাতায় যাওয়ার কথা বলেছি। রিনাদেবী যেতে পারছেন না। তবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন।
অন্যদিকে, বরানগরের শহিদ বিশ্বনাথ রায়ের পরিবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা কোনো পক্ষের মঞ্চে যাবে না। বরানগরের নরসিংহপ্রসাদ দত্ত রোডের বিশ্বনাথবাবুর পরিবার অবশ্য ২০২৪ সাল থেকে এই স্মরণসভায় যাচ্ছেন না। শহিদের ছেলে রাজীব রায় বলেন, আগে একজন ২১ জুলাই নিয়ে রাজনীতি করেছেন, এখন আরেকজন করবেন। আমরা সেই রাজনীতির অংশ হব না। শহিদরা গুরুত্ব পান না। কালীঘাট তৃণমূল হোক বা ঋতব্রতর তৃণমূল, বা কংগ্রেসের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান— আমরা কোথাও যাব না। বাড়িতে স্মৃতি তর্পণ করব।