


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০১৭ সালে এনটিএ (ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি) তৈরি হওয়া থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কোনো ‘পেপার লিক’ হয়নি। অসদাচারণ (ম্যালপ্র্যাটিস) কিংবা ব্যঘাত (ডিসরাপশন) ঘটেছে। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হয়নি। শিক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির কাছে এমনটাই জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা দপ্তর। এনটিএ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে যা উল্লেখ করা হয়েছে। এনটিএ নিয়ে ব্যাপক অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্থার আধিকারিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্রর মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের আমলাদের ডেকে বৈঠক করেছে সংসদীয় কমিটি। কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিংয়ের পর কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন মুকুল ওয়াসনিক। তিনিও কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য। সম্প্রতি কমিটি এনটিএ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। বিজেপির সদস্যদের আপত্তি সত্ত্বেও সেটি গ্রহণ করানো হয়েছে।
মোদি সরকার প্রশ্ন ফাঁসের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করলেও প্রশ্ন ফাঁসের সম্ভাবনা যে আছে, তা অবশ্য মেনে নিয়েছে এনটিএ। এবং সেটি ‘পেন অ্যান্ড পেপার’ ব্যবস্থায় বেশি। কম্পিউটার বেসড টেস্টে (সিবিটি) কম। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে সিবিটি করানো কঠিন। ইন্টারনেট সহ অন্যান্য সমস্যা রয়েছে। তবুও প্রশ্ন ফাঁস রুখতে ধীরে ধীরে সিবিটি ব্যবস্থা চালুর পক্ষেই জোর দিয়েছে কমিটি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পরীক্ষা দিতে পরীক্ষার্থীদের যে দূরদূরান্তে যেতে হয়, সেটি বন্ধ করা উচিত। প্রতি জেলায় অন্তত একটি করে পরীক্ষাকেন্দ্র গড়তে পারলে যাতায়াত ও থাকার খরচ কমে। বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবর্তে সরকারি কেন্দ্র গড়া উচিত। এ ব্যাপারে এনটিএ’র বাড়তি উপার্জনের ৫৯০ কোটি টাকা ব্যবহার করার সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রশ্ন ফাঁস রুখতে বছর বছর প্রশ্নপত্র তৈরি না করে আইআইটি, আইআইএম, এইমসের মতো দেশের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে ‘কোয়শ্চেন ব্যাঙ্ক’ গড়ার পক্ষে সওয়াল করেছে কমিটি।