


সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: যাঁরা রাঁধে তাঁরা চুলও বাঁধে। এই কথাটি যে ঠিক তা প্রমাণ করে দিয়েছেন ময়নাগুড়ি শহরের শ্মশানমোড় মহিলা ইউনিটের সদস্যারা। সংসার সামলে গত কয়েক বছর ধরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে আসছেন তাঁরা। এ বছর শ্মশানমোড় মহিলা ইউনিটের পুজোর ১৮তম বর্ষ। মণ্ডপসজ্জায় এবারও থাকছে চমক। থিম ‘বনের সৌন্দর্য’। বনের পরিবেশ মণ্ডপ সাজানোর মধ্য দিয়ে তাঁরা ফুটিয়ে তুলছেন। জঙ্গলের পশু, পাখি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পোকামাকড়, কীটপতঙ্গের দেখা মিলবে শ্মশানমোড় মহিলা ইউনিটের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে।
এবার প্রতিমা তৈরি করেছেন বাবাই পাল। জলপাইগুড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়েছে সেই প্রতিমা। মণ্ডপ বানিয়েছে ময়নাগুড়ির ভাই ভাই ডেকরেটর। এ বছর পুজো কমিটির সভাপতির দায়িত্বে দীপালি সেন, সহ সভাপতি বিজয়া রায় ও রিঙ্কু সাহা। যুগ্ম সম্পাদিকা মঞ্জু সেন ও চৈতালী সিন্হা। সহ সম্পাদিকা সুমিত্রা দে, সীমা সাহা ও পিয়ালী দত্ত। কোষাধ্যক্ষ মায়া দে, মৃদুলা সাহা। সহ কোষাধ্যক্ষ কবিতা দাস, জয়া দাস, জয়ন্তী দাস ও ঝরনা সাহা। হিসাবরক্ষক টুম্পা দাস, নমিতা দে ও পূর্ণিমা সেন। সহ হিসাবরক্ষক মমতা সেন, অর্চনা দাস, কল্যাণী রায়, দুর্গা দাস, বিভা দেবগুপ্ত ও রেশমী সেন। যুগ্ম হিসাবরক্ষক মালা দেবগুপ্ত, প্রীতিলতা রায়, গীতা রায় ও জ্যোৎস্না সাহা।
শ্মশানমোড় মহিলা ইউনিটের পুজোর মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে ফোম, কাঠ, বাঁশ, কাপড়, প্লাইবোর্ড সহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী দিয়ে। মণ্ডপের সামনে দেখা যাবে বিভিন্ন ধরনের ফুল। দলে দলে প্রজাপতির মধু সংগ্রহ দৃশ্য যেমন দেখা যাবে, তেমনই বিভিন্ন পশু-পাখির ছবি দেখা যাবে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশে।
পুজো কমিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুজোর দিনগুলির জন্য আমরা সারা বছর মুখিয়ে থাকি। এই ক’দিন হইহুল্লড়, গুল্পগুজবে কী করে সময় কেটে যায় বোঝার উপায় নেই। চাঁদা তোলা থেকে পুজোর বাজার, ভোগ বিতরণ সবেতেই সদস্যারা সমানভাবে অংশগ্রহণ করেন। নিজস্ব চিত্র