


সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কাঠের জ্বালানির ধোঁয়া কাটিয়ে এবার গ্যাসের আঁচে রান্না হবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে। রাজ্যের নির্দেশে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রায় তিন হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। ফলে পোষণ প্রকল্পের আওতায় শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাওয়ার রান্নায় কিছুটা স্বস্তি ফিরবে কর্মীদের। প্রায় তিন বছর আগে জেলার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ কার্যকর হয়েছিল। সেই মতো এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রের নামে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তী ধাপে প্রায় এক বছর আগে কেন্দ্রগুলিতে বার্নার ও ওভেন পৌঁছে দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু গ্যাসের সিলিন্ডার রিফিলিংয়ের অর্থ বরাদ্দ ও সরবরাহ সংক্রান্ত স্পষ্ট নির্দেশ না আসায় এতদিন সেই পরিকাঠামো কার্যত কাজে লাগানো যায়নি। এবার সেই জট কাটার ইঙ্গিত মিলেছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অর্থ দপ্তরের পক্ষে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার রিফিলিংয়ের জন্য জেলায় জেলায় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। চলতি মাস থেকে কেন্দ্রগুলিতে গ্যাসের সিলিন্ডার পৌঁছে রান্নার কাজ গ্যাসের জ্বালানিতে শুরু করার কথা রয়েছে।
যদিও নতুন নির্দেশিকায় এখনও জেলার গ্যাস ডিলারদের কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার নয় সরবরাহের পদ্ধতি ও সরকার নির্ধারিত রেট। ফলে বাস্তবে কবে থেকে নিয়মিত সিলিন্ডার সরবরাহ শুরু হবে তা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে।
জেলার এক আধিকারিক বলেন, সোমবার অর্ডার হয়েছে। খুব দ্রুত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে গ্যাসের জ্বালানিতে রান্নার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকা কল্যাণ সমিতির গঙ্গারামপুর প্রজেক্টের এক সদস্যা বলেন, শুনেছি এবার সিলিন্ডারের অর্ডার হয়েছে। দ্রুত প্রত্যেকটি কেন্দ্রে গ্যাসের রান্না চালু হোক। বর্ষার সময় জ্বালানি নিয়ে আমাদের ভীষণ সমস্যায় পড়তে হয়।