


সংবাদদাতা, লালবাগ: অনাস্থা ভোটে দ্বিতীয়বার অপসারিত হলেন ভগবানগোলা-২ ব্লকের সরলপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান হাসিনা বিবি। এদিন প্রধান অপসারণ অনাস্থা ভোটে কংগ্রেসের ৯ জন, তৃণমূলের ৬ জন এবং সিপিএমের ১ জন উপস্থিত ছিলেন। সবাই প্রধানের অপসারণের পক্ষেই ভোট দেন। প্রতিক্রিয়ার জন্য অপসারিত প্রধানকে ফোন করলে তিনি ফোন ধরেননি।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৬ আসনের সরলপুর পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১৪, কংগ্রেস ১১ ও সিপিএম ১টি আসনে জয়ী হয়। তৃণমূলের হাসিনা বিবি প্রধান এবং ফিরোজ ইসলাম উপপ্রধান হন। জানা গিয়েছে, গত ২ জুলাই কংগ্রেসের ৯ জন, তৃণমূলের ৬ জন এবং সিপিএমের ১ জন হাসিনা বিবির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন। ২২ জুলাই সভা ডাকার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পুলিশি সহায়তা নিশ্চিত না হওয়ায় তা বাতিল হয়। পরে বিষয়টি হাই কোর্টে গড়ালে একক বেঞ্চ নতুন করে সভা করার নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে ১৮ আগস্ট হয় ভোটাভুটি। উপস্থিত ১৬ জন হাসিনা বিবির বিরুদ্ধে ভোট দেন। প্রধান ১৬-০ ভোটে অপসারিত হন। পরবর্তীতে ১৮ অগস্টের অনাস্থা সভার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে করা মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ওই সভা ও তার ভিত্তিতে নেওয়া পদক্ষেপ বাতিল করে। একই সঙ্গে দ্বিতীয়বার অনাস্থার ভোটাভুটির নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ মোতাবেক কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে প্রধানের অপসারণের ভোটাভুটি হয়। উপস্থিত ১৬ জন প্রধানের বিরুদ্ধেই ভোট দেন। প্রধান সহ বাকি ১০ জন এদিন উপস্থিত ছিলেন না। দেবাইপুর সংসদের কংগ্রেস সদস্য মীরজামান আলি বলেন, প্রধান নিজের মর্জিমাফিক পঞ্চায়েত পরিচালনা করছিলেন। কংগ্রেস, তৃণমূল ও সিপিএম একত্রিত হয়ে প্রধানকে অপসারণ করলাম। এবার থেকে সরলপুর পঞ্চায়েত মানুষের জন্য কাজ করবে।