


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর : ভাটপাড়া বিধানসভা দখলে নিতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়লাভ করেন বিজেপির পবন সিং। এবার আসনটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখছে ঘাসফুল। সেই কারণে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ আরও নিবিড় করতে ‘পাড়ায় পাড়ায়’ কর্মসূচি নিল তৃণমূল।
আগামী ২২ মার্চ থেকে এই বিধানসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়ায় পাড়ায় বৈঠক শুরু হবে। বৈঠকে থাকবেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক, ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারপার্সন রেবা রাহা, ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ, জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম প্রমুখ। ভাটপাড়া বিধানসভা এলাকায় কী ধরনের কাজ হয়েছে, আগামী দিনে কী কী করা হবে তাও বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে শোনা হবে মানুষের নানা সমস্যার কথা।
এ ব্যাপারে শুক্রবার ভাটপাড়া পুরসভায় একটি জরুরি বৈঠক করেন সাংসদ তথা দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি পার্থ ভৌমিক। সেই বৈঠকে ভাটপাড়া পুর এলাকার তৃণমূলের নেতা, বিধায়ক, কাউন্সিলাররা ছিলেন। সেখানে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ভাটপাড়া বিধানসভায় এসআইআর শুরুর আগে ভোটারের সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৫৫ হাজার। ৪৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। বর্তমান ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮ হাজার। বহু অবাঙালি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে বোঝানোর জন্য এদিনের বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন পার্থ ভৌমিক।
তিনি বলেছেন, মানুষকে বোঝাতে হবে, নাম বাদ দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। জুটমিলগুলো বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি, কাঁচামালের অভাব। সেই সঙ্গে গ্যাসের যে সংকট দেখা দিয়েছে, তার জন্য দায়ী বিজেপির সরকার। পাড়ায় পাড়ায় কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বাড়িয়ে তুলতে হবে। বিজেপি যে বড়ো বিপদ, মানুষকে তা বোঝাতে হবে। ভাটপাড়ায় তৃণমূল জিতলে, বদলে যাবে ভাটপাড়ার চেহারা। পরে এদিন টিটাগড় পুরসভায় সব কাউন্সিলার এবং স্থানীয় বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে নিয়ে বৈঠক করেন পার্থ ভৌমিক। সেখানে আগামী বিধানসভা ভোটের প্রচারের কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে আইপ্যাকের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। ইতিমধ্যে জন সংযোগ বাড়াতে রাজ চক্রবর্তী বারাকপুর বিধানসভা জুড়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘জনতার দরবারে’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী।