


তেহরান: ফের উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। মঙ্গলবার রাতে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালাল আমেরিকা। ট্রাম্পের দেশের দাবি, প্রত্যেকটি ট্যাঙ্কার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পালটা জবাব দেয় তেহরানও। জর্ডনে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে পেজেস্কিয়ানের দেশ। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে দু’টি মার্কিন জাহাজ সহ ১০টি জাহাজে হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি একটি মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়। আইআরজিসি’র দাবি, হরমুজের ‘নিষিদ্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ’ অঞ্চল পারপারের চেষ্টা করছিল জাহাজগুলি। তার জেরে এই আক্রমণ। সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় ফের যুদ্ধের পারদ চড়তে শুরু করেছে।
এক্স হ্যান্ডলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, গত দু’দিনে একটি মার্কিন রণতরীকে দু’বার নিশানা করেছিল ইরান। কিন্তু কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিন্তু ওই আক্রমণের জবাবে ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ধ্বংস করা হয়। পালটা জবাবে জর্ডনে আল আজরাখ সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। তবে এয়ার ডিফেন্সে হামলা প্রতিহত হয়েছে বলে দাবি সংবাদমাধ্যমের।
এরইমধ্যে হরমুজের প্রবেশ পথে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি করেছে ইরান। বাজেয়াপ্ত মানবহীন সাবমেরিনের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছে তারা। আইআরজিসি আরও দাবি, হরমুজের উপর একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে।যদিও মার্কিন সেনা জানিয়েছে, একদিন আগে জলসীমায় নজরদারি চালানোর সময় ‘যান্ত্রিক ত্রুটির’ শিকার হয় একটি আন্ডারওয়াটার ড্রোন। তবে সেটি ইরানের বাজেয়াপ্ত ড্রোন কি না তা স্পষ্ট করা হয়নি।