


ওয়াশিংটন ও কারাকাস, ৩ জানুয়ারি: ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করেছে মার্কিন সেনা। তাঁদের দু’জনকে দেশছাড়া করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শনিবার এমনই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও মাদুরোকে কীভাবে ধরা হয়েছে বা তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে খোলসা করেননি ট্রাম্প। শুধু জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় আজ সকাল ১১টায় ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সাংদিক সম্মেলন করবেন। সেখানেই মিলবে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর। ট্রাম্পের দাবি প্রসঙ্গে ভেনেজুয়েলা সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘদিন থেকে ভেনেজুয়েলায় সামারিক অভিযানের হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। সেই আঘাত নামল শনিবার। স্থানীয় সময় ভোর থেকে ভেনিজুয়েলায় অভিযান শুরু করেছে মার্কিন সেনা। রাজধানী কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। বিকট বিস্ফোরণের পর ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। শহরের যে দু’টি সামরিক কেন্দ্রে আমেরিকা হামলা চালিয়েছে, তার মধ্যে একটি হল শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত লা কারলোটা সামরিক বিমানঘাঁটি। অন্যটি হল ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি। এখানেই মাদুরো দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছিলেন মনে করা হচ্ছিল।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান ‘সাফল’ বলে দাবি ট্রাম্পের। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এনিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘দক্ষ ও দুর্দান্ত লোকজন এই অসাধারণ পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন।’ ভেনেজুয়েলায় অভিযানের বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি? খোলসা করেননি তিনি।
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানো হবে বলে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মূল লক্ষ্য মাদুরো। মাদুরোকে দেশ ছাড়া করতে চায় হোয়াইট হাউজ। যে কারণে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে তথ্য দিতে পারলে পাঁচ কোটি ডলার পুরস্কারের কথাও ঘোষণা করেন ট্রাম্প।