


জানালেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সন্দীপন সাঁতরা।
সিম: সিম খাবার পরিপাকে সহায়তা করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
গাজর: গাজরে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি থাকে। গাজর খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ত্বক ভালো থাকে। এটি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
টম্যাটো : এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, লাইকোপেন থাকে। যা ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। হৃদযন্ত্রও ভালো রাখে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
পালং শাক : পালং শাকে ভিটামিন এ, বি২, সি, ই এবং কে রয়েছে। এটি ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। পালং শাক খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হাড়ের শক্তিবৃদ্ধি, চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি, রক্তাল্পতা দূর হওয়া সহ একাধিক উপকার মেলে। ত্বক ও চুলের জন্যও অত্যন্ত উপকারী।
ব্রোকলি : এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, আয়রন ও ক্যালশিয়াম রয়েছে। হাড় মজবুত, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, হজমের উন্নতির পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ধনেপাতা: ধনেপাতায় ভিটামিন সি, এ এবং ফলিক অ্যাসিড থাকে। শরীরের পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি চোখ, ত্বকের জন্য উপকারী। একাধিক শীতকালীন সংক্রমণও দূর করে।
মুলো: বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে এই সবজি। শরীরের ওজন কমায়। আলসার ও বদহজম দূর করতে সাহায্য করে। কিডনি ও পিত্তথলিতে পাথর তৈরিতে বাধা দেয়।
বাঁধাকপি ও ফুলকপি: বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। এছাড়া ফ্ল্যাভনয়েড সমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ফুলকপিতে ভিটামিন সি, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ফাইবার থাকে। এটি ক্যানসার প্রতিরোধের পাশাপাশি হাড় মজবুত করতে ও হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
বিট: এতে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার খনিজ, ভিটামিন, নাইট্রেট বেটালাইন, ফাইবার ও ফোলেট। এগুলি রক্তচাপ কমাতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
সতর্কতা অবলম্বন
ইউরিক অ্যাসিডে অল্প পরিমাণে ব্রোকলি, ফুলকপি খাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কিডনির রোগীদের পালং কম খাওয়াই ভালো। অ্যালার্জি বা মাইগ্রেনে অতিরিক্ত সিম খাওয়া ক্ষতিকারক।
লিখেছেন শোভন চন্দ