


শ্রীনগর: পুলিশ আধিকারিকের পর এবার ইটভাটার শ্রমিক। উপত্যকায় ফের টার্গেটেড কিলিংয়ের ঘটনা ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার সন্ধেয় জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে জঙ্গিদের হাতে নিহত হন দুই পরিযায়ী শ্রমিক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দীপক রাত্রে নামের এক ইটভাটার শ্রমিকের। দীপকের পরিবারের দাবি, খুনের আগে ধর্ম ও জাতি জিজ্ঞেস করেছিল জঙ্গিরা। গুলিবিদ্ধ হন ভূপেন্দ্র নামের অন্য এক শ্রমিকও। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। পরপর এই ধরনের ঘটনার পিছনে লস্কর ই তোইবার জঙ্গি লতিফ ভাট ও তার সহযোগীদের হাত রয়েছে বলে মনে করছে নিরাপত্তবাহিনী। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহ, রেইকিতে সাহায্য করেছিল লতিফের সহযোগী ওয়ারিশ শাহ। জঙ্গিদের ধরতে দক্ষিণ কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
ঘটনায় নিরাপত্তার গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি গড়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ফারুক আবদুল্লার অভিযোগ, ‘যখনই আমরা পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের অধিকার দাবি করি, তখনই এমনটা হয়।’ পিডিপি প্রেসিডেন্ট মেহবুবা মুফতি বলেছেন, ‘এতো বাহিনী মোতায়েনের পরও এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। আমার মতে, নিরাপত্তায় বড়োসড়ো গলদ রয়েছে।’ উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরীর প্রশ্ন, ‘যদি জঙ্গিদের ধ্বংস করা হয়ে থাকে, তাহলে এরা কারা? এই ধরনের ঘটনা ঘটছে কেন?’