


নয়াদিল্লি: প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা বিভ্রাটের একের পর এক ঘটনায় ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে সমালোচনা হজম করতে হচ্ছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-কে। তারই মধ্যে এবার সরকারি তহবিলের ১০ কোটি টাকার হিসাব নিয়ে সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে জাতীয় স্তরের এই পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা। কংগ্রেস সাংসদ কে সি বেণুগোপালের নেতৃত্বাধীন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি) এনটিএ-র কাছে জানতে চাইল, ১০ কোটি টাকা খরচের বকেয়া ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) কোথায় গেল? এখনও তা জমা হল না কেন? লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশিকা পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই সংস্থার পরিকাঠামো, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্মে এই আর্থিক ফাঁকফোকরের কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে। সূত্রের খবর, ক্যাগ উল্লিখিত বিভিন্ন মন্ত্রকের বকেয়া ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট নিয়ে খোঁজখবর করার সময় এনটিএ-র প্রসঙ্গটিও উত্থাপন করে পিএসি।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর প্রদত্ত প্রাথমিক তহবিল সহ সরকারের কাছ থেকে মোট ২৫ কোটি টাকা পেয়েছে এনটিএ। তার মধ্যে ১০ কোটি টাকা খরচের হিসাব সংক্রান্ত ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট তারা এখনও পেশ করেনি। সূত্রের খবর, পিএসসি-র বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রক আশ্বাস দিয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বকেয়া ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট পেশ করা হবে। জানা যাচ্ছে, পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও সময়মতো আয়োজন নিশ্চিত করতে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার ত্রুটি যাতে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাগত ও কর্মজীবনের সম্ভাবনাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত না করে, তা নিশ্চিত করতে কী কী সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটিও জানতে চেয়েছে পিএসি।