


চণ্ডীগড়: ছাত্র ও যুব আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিতে হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। ছাত্র-যুবদের আন্দোলনে মুখ পুড়েছে বিজেপির। এবার প্রশ্নফাঁস ইস্যুকে হাতিয়ার করে পাঞ্জাবে আপ সরকারের উপর চাপ বাড়ালো বিজেপি। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী হরজোত সিং বাইনের ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপির শরিক টিডিপি। সেখানে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস। উল্লেখ্য, শিক্ষামন্ত্রী পদে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ছেলে নারা লোকেশ। সবমিলিয়ে ধর্মেন্দ্র ইস্তফার পরই প্রশ্নফাঁস, নিয়োগে অনিয়ম সহ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে বিভিন্ন রাজ্যে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।
বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারির দাবি, পাঞ্জাবে নায়েব তেহশিলদার নিয়োগ, স্টেট টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট, গ্রুপ বি, এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট অফিসার নিয়োগ সহ একাধিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হয়েছে। এই তথ্য তুলে ধরে বিজেপি নেতার প্রশ্ন, পাঞ্জাবে শিক্ষামন্ত্রী কবে ইস্তফা দিচ্ছেন? নৈতিকতার কারণে কবে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলবেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল? একই দাবি তুলেছে কংগ্রেসও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজার দাবি, বিগত চার বছরে রাজ্যে ছ’টি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। তাঁর দাবি, আপ সরকারের আমলে কোনো অনিয়ম বা প্রশ্নফাঁস হয়নি।
অন্ধ্রে নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সভাপতি জগন্মোহন রেড্ডিও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিট প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। আমাদের রাজ্যেও ডিএসসি পরীক্ষাতেও অনিয়ম হয়েছে। তাতে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এই দায় নিয়ে কি শিক্ষামন্ত্রী নারা লোকেশ পদত্যাগ করবেন? নাকি মুখ্যমন্ত্রী ফের তাঁর ছেলেকে আড়াল করবেন?