


রাম মন্দিরের অনুদান তছরুপের অভিযোগের তদন্তে বড়সড় মোড়। বিশেষ তদন্তকারী দলের চূড়ান্ত রিপোর্টে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং প্রাক্তন ট্রাস্টি অনিল মিশ্রকে অভিযোগ থেকে ক্লিন চিট দিল বিশেষ তদন্তকারী দল। অর্থাৎ তাঁদেরকে অভিযোগের তালিকা থেকেই বাদ দেওয়া হল।
অনুদান তছরুপের অভিযোগ সামনে আসার পর দু’জনেই ইস্তফা দিয়েছিলেন ট্রাস্টের পদ থেকে। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশে সিট গঠন করা হয়। তৎক্ষণাৎ অস্থায়ী সাধারণ সম্পাদক হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল কৃষ্ণ মোহনকে। সোমবার উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র দপ্তর অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান চুরির অভিযোগ সংক্রান্ত সিট এর চূড়ান্ত রিপোর্ট শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের হাতেই তুলে দিয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ ট্রাস্টই ঠিক করবে বলে জানা যায়। লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্থের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই সিট গত ১৩ জুন রাজ্য সরকারের নির্দেশে গঠিত হয়েছিল। ট্রাস্টের অনুরোধেই তদন্তকারী দল তৈরি করা হয়। দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন রেঞ্জ ইনস্পেক্টর জেনারেল কিরণ এস এবং অর্থ দপ্তরের বিশেষ সচিব নীল রতন কুমার। পরে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেরও নজরে আসে। তদন্তকারী দল গত ২৩ জুন রাজ্য সরকারের কাছে তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে একাধিক কড়া পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছিল। এরপর ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণমোহন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শ্রী রাম জন্মভূমি থানায়। তার ভিত্তিতে ২৫ জুন এফআইআর দায়ের হয়।
এফআইআরে আট জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি আরও কয়েক জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির নামও রাখা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি দমন আইনের ১৩(১)(এ) ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সিট-এর প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী সময়ে এফআইআর দায়ের এবং গ্রেপ্তার সহ বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত তদন্তে চম্পত রাই ও অনিল মিশ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি বলেই তাঁদের নাম অভিযোগের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।