


বেঙ্গালুরু ও জয়পুর: হোমওয়ার্ক শেষ করতে পারেনি। অপরাধ এটুকুই। অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল স্কুলের এক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে। মারধর, ২০ টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপশি তাকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। রাগে-অপমানে বাড়ি ফিরে আত্মহত্যা করল কিশোরী। মৃতের নাম মধুশ্রী। বেঙ্গালুরু সংলগ্ন আনেকাল তালুকের মারাসুরু মাদিভালা গ্রামের ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকালে মেয়েকে ঘুম থেকে ডাকতে গিয়ে হতবাক মা। তিনি দেখেন, গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে মেয়ের নিথর দেহ। পরে পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। মধুশ্রীর মা গিরিজা দেবীর কথায়, হোমওয়ার্ক না করায় স্কুলের শিক্ষক সহ বাকিরা মেয়ের উপর অত্যাচার চালিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
গতবছর নভেম্বর মাসে জয়পুরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আমাইরার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। এবার সেদিনের ক্লাসরুমের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সামনে এসেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, ওই খুদেকে সমানে হেনস্তা করছিল সহপাঠীরা। কিন্তু শ্রেণি শিক্ষিকা কোনো ব্যবস্থা নেননি। আমাইরার না শিবানী মীনা জানান, সেদিন মেয়ে বেশ হাসি-খুশি ছিল। স্কুলে নাচের ক্লাসেও গিয়েছিল। এরপরই তাকে উদ্দেশ্য করে নানা ধরনের মন্তব্য করে সহপাঠীরা। আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে। ৫৫ মিনিট ধরে হেনস্তা করা হয়। ও কীভাবে চারতলায় গেল? কেউ দেখল না। হাসপাতালে গিয়ে দেখি, স্ট্রেচারে মেয়েকে ফেলে পালিয়েছে স্কুলের লোকজন। প্রতি পদক্ষেপে গাফিলতির চিহ্ন রয়েছে। আট মাস অতিক্রান্ত। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আমাইরার বাবাও।