


বেঙ্গালুরু: পরিচিত বিজ্ঞানী। পেয়েছেন ভারতরত্ন। তিনিও ডাক পেয়েছেন এসআইআর শুনানিতে! অভিযোগ, তাঁর নামের বানানে অসঙ্গতি রয়েছে। কর্ণাটকে ভোটার তালিকায় চলতি স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআরে এমনই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এসআইআরের খসড়া তালিকায় ভারতরত্ন প্রাপক নবতিপর রসায়ন অধ্যাপক সি এন আর রাওয়ের নামের সংক্ষিপ্ত রূপে একটি বাড়তি ‘এফ’ রয়েছে। তাই প্রয়োজনীয় নথি সহ শুনানিতে ডাকা হয়েছে তাঁকে। যদিও বিষয়টা মানতে নারাজ কমিশন। অস্বীকার করা হয়েছে তাঁকে শুনানিতে ডাকার দাবিও।
জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের পুরনো ভোটার তালিকায় রাওয়ের নামের সংক্ষিপ্ত রূপে যে প্রফেসর বানান লেখা হয়েছে তাতে একটি ‘এফ’ ছিল। কিন্তু বর্তমান তালিকায় প্রফেসর বানানে জুড়েছে আর একটি ‘এফ’। বিষয়টি ‘সেলফ মিসম্যাচ’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায়। এরপরই পরিচয় যাচাইয়ের জন্য নোটিস দেওয়া হয় বিজ্ঞানীকে। নিয়ম অনুযায়ী, ৯২ বছরের বিজ্ঞানীকে বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরমে শুনানিতে সশরীরে হাজির হতে বলা হয়। তবে প্রফেসর রাওয়ের দাবি, বুধবার দুপুর পর্যন্ত তাঁর কোনো লিখিত নোটিস তিনি পাননি। স্রেফ কমিশন প্রকাশিত তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। যদিও কমিশনও বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে ‘সি এন আর রাও বা তাঁর পরিবারের কাউকেই এখনও কোনো নোটিস দেওয়া হয়নি। দেশের প্রতি তাঁর অবদান ও মর্যাদার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
অন্যদিকে, সোমবার উত্তরাখণ্ডে এসআইআর শুনানিতে গিয়ে মৃত্যু হয় ৮০ বছরের এক বৃদ্ধের। মৃতের নাম ইবনে হাসান। নৈনিতালের কালাধুঙ্গি তহশিল দপ্তরে শুনানির জন্য ডাকা হয় তাঁকে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দোতলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় আচমকা পড়ে যান হাসান। তাঁকে কালাধুঙ্গির কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সি এন আর রাও। ফাইল চিত্র