


নয়াদিল্লি: সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো যাবে না প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মান্নান মিশ্রকে। এমনই দাবি তুললেন বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ল’ স্কুল অব ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি (এলএলএসআইইউ)-র চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়া ও প্রাক্তনীদের একাংশ। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে প্রশ্নফাঁস নিয়ে জেনজিদের আন্দোলনের সময় পুলিশের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠছিল। তা নিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলাও হয়। সেখানে পুলিশি নিগ্রহের ছবি-ভিডিও প্রধান বিচারপতি শুনতে চাননি বলে দাবি পড়ুয়াদের। সেই প্রসঙ্গ টেনে সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতা করেছিলেন হায়দরাবাদের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব লিগাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের (এনএএলএসএআর) ৪৫০ পড়ুয়া। তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ হয় বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (বিসিআই)। সমস্ত রাজ্যের বার কাউন্সিলকে চিঠি লেখে মান্নান মিশ্রের সংগঠন। বিসিআই নির্দেশ দেয়, এবছর এনএএলএসএআর থেকে পাশ করা পড়ুয়াদের এনরোল করতে দেওয়া যাবে না। তাদের এই নির্দেশ ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। পরে তা প্রত্যাহার করে বিসিআই। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চও বার কাউন্সিলকে ভর্ৎসনা করে এবং জানিয়ে দেয়, পড়ুয়াদের প্রতিবাদ জানানোর গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে।
এই আবহে হায়দরাবাদের আইন কলেজের পাশে দাঁড়িয়ে সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণ না জানানোর দাবি তুলল বেঙ্গালুরুর এলএলএসআইইউ’ও। পাশাপাশি, তাদের দাবি, এনএএলএসএআর’এর পড়ুয়াদের বাক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকারে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছে বিসিআই। সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই পদক্ষেপ মেনে নেওয়া যায় না। তাই বিসিআইকে পড়ুয়া ফ্যাকাল্টিদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।