


লখনউ: ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের দান করা টাকা সরাসরি দেবতার তহবিলে জমা করতে হবে। মন্দিরের কোষাগারে টাকা জমা না পড়া পর্যন্ত কেউ তা তুলতে পারবেন না। তহবিলের টাকায় জমি কেনার আগে তা আদালতকে জানাতে হবে। বৃন্দাবনের বাঁকে বিহারী মন্দির সংক্রান্ত মামলায় এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে মন্দির কমিটিকে এই কাজে আরও স্বচ্ছতা আনতে বলেছে শীর্ষ আদালত।
বাঁকে বিহারী মন্দিরের প্রণামি ও অনুদান আত্মসাৎ। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ উঠেছে। মামলাকারীর দাবি, দেবতার ভোগের জন্য দেওয়া টাকা আত্মসাৎ করছে ভাণ্ডারীরা। সরকারি আইনজীবীর পালটা দাবি, ভাণ্ডারীদের এই কাজ করার আইনি অধিকার রয়েছে। তিনি আরও জানান, দায়রা আদালতের ফরমানে এই অধিকারের উল্লেখ রয়েছে। মঙ্গলবার মামলা শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, যাবতীয় অনুদান দানবাক্স বা অনলাইনে মন্দিরের কোষাগারে জমা করতে হবে। কোনো সেবায়েত এই প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করলে বিষয়টিকে কঠোরভাবে দেখা হবে। পর্যবেক্ষণে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ‘প্রথমে দেবতাকেই প্রণামি ও অনুদান দিতে হবে। সেখান থেকে কাজের ভিত্তিতে ভাগ পাবেন ভাণ্ডারীরা। মন্দিরের তহবিলে জমা পড়ার আগে টাকা তোলা যাবে না।’ তিন সদস্যের এই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। তিনি বলেন, ‘দেবতার উপর কোনো পূজারির একচ্ছত্র অধিকার থাকতে পারে না।’