


মুম্বই: তাড়াহুড়ো নয়। ধৈর্য ধরা এবং আস্থা রাখা। দীর্ঘমেয়াদি ফরম্যাটে বৈভব সূর্যবংশীর ক্ষেত্রে এভাবেই এগনো উচিত বলে মনে করেন রাহুল দ্রাবিড়। জিওহটস্টারে এক সাক্ষাৎকারে ১৫ বছর বয়সির সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য, ‘ওর বয়স মাত্র ১৫। তাই ধৈর্য ধরতে হবে। আমার কোনো সংশয় নেই যে, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেলে এবং কয়েক মরশুম লাল বলের ফরম্যাটে নিয়মিত অংশ নিলে টেস্টের দলে ঠিক জায়গা করে নেবে। তবে টেস্টের প্রথম এগারোয় জায়গা পাবে কিনা, বলা মুশকিল।’ রাজস্থানের হয়ে গত বছর আইপিএলে বৈভবের অভিষেকের সময় কোচ ছিলেন দ্রাবিড়। খুব কাছে থেকে বিস্ময় কিশোরকে দেখেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে দ্রাবিড় বলেছেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতের হয়ে খেলবে বৈভব। তাই টানা দু’বছর ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সুযোগ মিলবে না। তবে স্কিলের দিক থেকে বৈভবের কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’ দলীপ ট্রফির প্রথম ম্যাচে সে যদিও করেছে মাত্র ৮ রান। তবে পূর্বাঞ্চলের ইনিংস ও ২১০ রানে জয়ে দু’উইকেট নিয়ে অবদান রেখেছে বৈভব।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) ফাইনালে ভারতের ওঠার সম্ভাবনা নিয়েও মুখ খুলেছেন দ্রাবিড়। শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজে টিম ইন্ডিয়া যতই দাপট দেখাক না কেন, তার পরও কাজটা কঠিন। এরপর অক্টোবরে নিউজিল্যান্ডে দু’টেস্টের সিরিজে অংশ নেবে ভারত। পরের বছরের শুরুতে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে পাঁচ টেস্টের সিরিজ। এরমধ্যে অধিকাংশ টেস্টই জিততে হবে শুভমান গিল ব্রিগেডকে। দ্রাবিড়ের কথায়, ‘ভারত ডব্লুটিসি’র ফাইনালে ওঠার দৌড়ে কিছুটা পিছনে পড়ে গিয়েছে। তবে এই দলের যা দক্ষতা তাতে উপেক্ষা করা অসম্ভব। আর শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজে শুরুটা ভালো হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ অবশ্য বরাবরই চ্যালেঞ্জের। ওদের দেশে গিয়ে খেলার অভিজ্ঞতা এই দলের অনেকেরই নেই। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, চেতেশ্বর পূজারা, অজিঙ্কা রাহানের মতো অভিজ্ঞরা ওদেশে শেষ সফরে ছিল। কিন্তু এবার নেই। তাই ভারতীয় দলে সবাই যেন ফিট থাকে। খুব আকর্ষণীয় সিরিজ হবে ওটা।’