


নয়াদিল্লি: ইথানল মিশ্রিত ‘ই-টোয়েন্টি’ পেট্রল নিয়ে দেশজুড়ে নানা মহলে সমালোচনা ঝড় উঠেছে। অনেকের অভিযোগ, এই পেট্রল ব্যবহার করলে ক্ষতি হবে গাড়ির ইঞ্জিনের। কমবে মাইলেজও। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এধরনের অভিযোগ নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই এবার সামনে এসেছে নীতি আয়োগের পুরনো একটি রিপোর্ট। ২০২১ সালের ওই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, গাড়ির নির্মাতাদের সংগঠন সোসাইটি অব ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচার্স (সিয়াম)‘ ই-২০’র পাশাপাশি ‘ই-১০’ পেট্রলও চালু রাখার সুপারিশ করেছিল। ‘রোডম্যাপ ফর ইথানল ব্লেন্ডিং ইন ইন্ডিয়া ২০২০-২০২৫’ রিপোর্টে অন্তর্ভূক্ত সিয়ামের মতামতে বলা হয়েছিল,‘ ই-টেন’ পুরোপুরি তুলে দিলে পুরনো গাড়িগুলির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই গ্রাহকদের স্বার্থে এবং পুরনো গাড়ির জন্য ‘ই-১০’ পেট্রলের সমান্তরাল সরবরাহ থাকা আবশ্যক।
সংগঠনের যুক্তি ছিল, যেসব দেশ ধাপে ধাপে বেশি ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি চালু করেছিল, তারাও পরিবর্তনের সময় কম ইথানলযুক্ত জ্বালানির সরবরাহ চালু রেখেছিল। সিয়াম আরও জানায়, দেশে বিপুল সংখ্যক ভিন্ন মডেলের গাড়িগুলিকে বদলে ‘ই-২০’র উপযোগী করে তোলা অত্যন্ত কঠিন ও অবাস্তব। যদিও কেন্দ্র জানিয়েছে, সিয়াম, অটোমোটিভ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন, ইন্ডিয়ান অয়েল এবং গাড়ি নির্মাতাদের বিস্তারিত পরীক্ষার পরই ‘ই-২০’ চালু করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এর কারণে ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। তবে ২০২১ সালের নীতি আয়োগের রিপোর্ট স্পষ্ট,‘ ই-২০’র পাশাপাশি পুরনো গাড়িগুলির স্বার্থে ‘ই-১০’ পেট্রলের সমান্তরাল সরবরাহ বজায় রাখার পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেছিল সিয়াম।