


পুনে: কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। হত্যার পর তাঁর মোবাইলটি দীর্ঘক্ষণ সিয়া ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল। পরে অবশ্য ফোনটি তারা তুলে দেয় কেতনের পরিবারের হাতে। তার আগে ফোন থেকে কোনো ডিজিটাল তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কেতনের ফোনটির ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য আদালতের কাছে আরজি জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবীও। তবে এই খুনের মামলায় পুলিশের হাতে কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান নেই। অপরাধের সরাসরি প্রমাণ হিসাবে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠছে, মেঘালয়ের বহুচর্চিত ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশীর মতো আইনি ফাঁকফোকরের সুবিধা নিয়ে সিয়া ও তার প্রেমিকও জামিন পেয়ে যাবে না তো?
গত ১৮ জুন কেতনকে পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে নীচে ফেলে খুনের অভিযোগ ওঠে হবু স্ত্রী সিয়া ও তার প্রেমিক চেতনের বিরুদ্ধে। তারা এখন রয়েছে পুলিশ হেপাজতে। দুই অভিযুক্ত যাতে ছাড়া না পেয়ে যায়, সেই চেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছে পুনে গ্রামীণ পুলিশ। শক্তপোক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করে চার্জশিট গঠনের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সিয়ার পলিগ্রাফ টেস্টের কথাও ভাবছেন তদন্তকারীরা। মহারাষ্ট্রের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর ছেলে কেতন। গত ফেব্রুয়ারিতে সিয়ার সঙ্গে আংটি বদল হলেও বিয়ে নিয়ে সন্দিহান ছিল তাঁর পরিবার। হবু স্ত্রীকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন স্বয়ং কেতনও। পুলিশকে এমনই অভিযোগ করেছেন তাঁর বাবা।