


সংবাদদাতা, বনগাঁ: গোপালনগর স্কুলে ঢুকে শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় ধৃতকে মঙ্গলবার বনগাঁ আদালতে তোলা হয়। আদালত অভিযুক্তকে জেল হেপাজতে পাঠিয়েছে। এদিনই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামে পড়ুয়া থেকে অভিভাবকরা। দোষীর কড়া শাস্তির দাবিতে পথে নামেন শিক্ষকরাও। এদিন এক শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে সোমবারের ঘটনার নিন্দা করেছেন সকলেই। এক অভিভাবক সঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, আমরাও স্কুলে পড়েছি। অন্যায় করলে শিক্ষকরা আমাদের শাসন করতেন। এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। উল্লেখ্য, সোমবার গোপালনগর হরিপদ ইনস্টিটিউশনে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাজ চলছিল। অভিযোগ, সেই সময় কয়েকজন ছাত্র অশালীন আচরণ করে। ঘটনায় স্কুলের বাংলার শিক্ষক কয়েকজন ছাত্রকে শাসন করেন। বকা দেন তাদের। এতেই চটে যায় এক ছাত্র। বিষয়টি ফোনে বাবাকে জানায় সে। ছুটে আসেন ওই ছাত্রের বাবা দেবব্রত দাস, মা , কাকা ও কয়েকজন বহিরাগত। অভিযোগ স্কুলের শিক্ষকদের ঘরে ঢুকে শাসান ওই ছাত্রের বাবা। কেন ছেলেকে শাসন করেছেন, জানতে চান। এরপরই কোমরের বেল্ট খুলে বাংলার শিক্ষককে মারধর শুরু করেন। ঠেকাতে গেলে আক্রান্ত হন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সমরেশ চন্দ্র মণ্ডল। এরপর অভিযুক্ত দেবব্রত দাস সহ বেশ কয়েকজনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতেই অভিযুক্ত দেবব্রত দাস ওরফে ধনঞ্জয় দাসকে গ্রেপ্তার করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। ঘটনার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে এদিন মিছিলে শামিল হন স্কুলের শিক্ষকরা। এবিষয়ে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সমরেশ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ওই ঘটনা খুবই নিন্দাজনক। তবে সকলেই শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সর্বত্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ছাত্ররাও প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে। আমরা চাই ওই অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি হোক। নিজস্ব চিত্র